তারেক রহমান বলেন, দেশনেত্রীর অন্তিম যাত্রায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর কর্মকর্তা ও সদস্যরা নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তারা শুধু শৃঙ্খলা বজায় রাখেননি, শোকাবহ পরিবেশেও মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তাদের দায়িত্বশীলতার কারণেই সবাই নিরাপদে ও শান্তিপূর্ণভাবে জানাজায় অংশ নিতে পেরেছেন।
তিনি পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপি, র্যাব, এপিবিএনসহ সব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নারী ও পুরুষ সদস্যদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান। তাদের ধৈর্য, সততা ও পেশাদারিত্বের ফলে লাখো মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে শোক প্রকাশ করতে পেরেছে এবং শান্তিপূর্ণভাবে নিজ নিজ গন্তব্যে ফিরতে সক্ষম হয়েছে। একই সঙ্গে ডিজিএফআই, এনএসআই ও স্পেশাল ব্রাঞ্চের সদস্যদের নীরব কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথাও তিনি স্মরণ করেন।
পোস্টে তিনি জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের পিএসও, ডিজি এসএসএফসহ গৃহায়ন ও গণপূর্ত, তথ্য ও সম্প্রচার, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক, সংস্কৃতি এবং ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবদানের জন্য ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের আন্তরিক প্রচেষ্টার কারণে বিদেশি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত হয়ে সমবেদনা জানাতে পেরেছেন বলেও উল্লেখ করেন।
বিশাল জনসমাগমের মধ্যে অনুষ্ঠান কাভার করা সাংবাদিকদের কাজ অত্যন্ত কঠিন ছিল উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও দেশ-বিদেশের গণমাধ্যমকর্মীরা নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে জানাজা ও দাফনের খবর বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরেছেন। এজন্য তিনি তাদের প্রতি আন্তরিক শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানান।
সবশেষে তারেক রহমান প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুস এবং তার মন্ত্রিসভার সব সদস্যদের ধন্যবাদ জানান। জাতীয় শোকের এই সময়ে তাদের ব্যক্তিগত উপস্থিতি ও সহযোগিতা পরিবারের জন্য অমূল্য সমর্থন ছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন। পরিবারের পক্ষ থেকে তিনি সবাইকে মানুষ হিসেবে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এই কঠিন সময়ে প্রদর্শিত সহমর্মিতা ও দায়িত্ববোধ তাদের হৃদয় স্পর্শ করেছে এবং জাতিকে মর্যাদার সঙ্গে বেগম খালেদা জিয়ার স্মৃতিকে সম্মান জানানোর শক্তি দিয়েছে।




