ঢাকা | বৃহস্পতিবার
২৯শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,
১৫ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

২৫ সালের ক্রিকেটে ২৫টি অবিশ্বাস্য পরিসংখ্যান

২০২৫ সালের ক্রিকেট এমন কিছু অঙ্ক ও রেকর্ড উপহার দিয়েছে, যা প্রায় অচেনা, অস্বাভাবিক এবং চোখ কপালে ওঠার মতো। পরিসংখ্যানগত ব্যতিক্রম থেকে শুরু করে প্রত্যাশা ছাপিয়ে যাওয়া অবিশ্বাস্য কীর্তি এই বছরটি ক্রিকেটের ইতিহাসে ২৫টি নজরকাড়া পরিসংখ্যানের জন্ম দিয়েছে।

১/ গাণিতিক হিসেবে টানা ২০টি টস হারের সম্ভাবনা প্রতি ১০ লাখ ৪৮ হাজার ৫৭৬ বারের মধ্যে একবার। সেটিই করে দেখিয়েছে ভারত। এই ধারা শুরু হয়েছিল ২০২৩ বিশ্বকাপ ফাইনাল (আহমেদাবাদ) থেকে এবং শেষ হয়েছে বছরের শেষ ওয়ানডে ম্যাচে, বিশাখাপত্তমে।

ওয়ানডেতে এর পরের সবচেয়ে খারাপ টস-হারার রেকর্ডটি নেদারল্যান্ডসের- ২০১১ সালের মার্চ থেকে ২০১৩ সালের আগস্ট পর্যন্ত টানা ১১টি।

২/ চলতি অ্যাশেজ সিরিজে দুটি টেস্ট দুই দিনের মধ্যে শেষ হয়েছে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম কোনো সিরিজে দুই বা তার বেশি টেস্ট দুই দিনে শেষ হলো।

শেষবার এমন ঘটনা ঘটেছিল ১৯১২ সালের ত্রিদেশীয় সিরিজে। যেখানে অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা ও স্বাগতিক ইংল্যান্ড অংশ নিয়েছিল- যা ছিল ইতিহাসের প্রথম বহুজাতিক টেস্ট টুর্নামেন্ট।

চলতি অ্যাশেজ শুরুর আগে অস্ট্রেলিয়ায় খেলা ৪৫০টি টেস্টের মধ্যে মাত্র দুটি ম্যাচ দুই দিনের মধ্যে শেষ হয়েছিল, আর চলতি মৌসুমেই সেই সংখ্যার সমান দেখা গেছে।

৩/ ২০২৫ সালের নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপ জিতেছে ভারত। যদিও তারা টুর্নামেন্টে তিনটি ম্যাচ হেরেছিল। এই টুর্নামেন্টের ইতিহাসে এই প্রথম তিন ম্যাচ হেরেও চ্যাম্পিয়ন হয়েছে কোনো দল। পুরুষদের বিশ্বকাপে এমন ঘটনা ঘটেছে দুইবার- পাকিস্তান (১৯৯২) ও ইংল্যান্ড (২০১৯)।

৪/ গত ২৫ এপ্রিল, সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে ঘরের মাঠের ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংসের একাদশে ছিলেন ২২ বছরের নিচের চারজন খেলোয়াড়- আয়ুশ মাত্রে, শাইখ রশিদ, নূর আহমেদ ও দেওয়াল্ড ব্রেভিস।

এর আগে চেন্নাই কখনও এত কম বয়সের ৪ জন ক্রিকেটার একই ম্যাচে নামায়নি। আইপিএল ২০২৫ শুরুর আগে তারা কখনও এক ম্যাচে দু’জনের বেশি এমন খেলোয়াড় খেলায়নি।

৫/ ইন্দোনেশিয়ার অলরাউন্ডার গেদে প্রিয়ান্দানা গত ২৩ ডিসেম্বর বালিতে কাম্বোডিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিকে (পুরুষ বা নারী) এক ওভারে পাঁচ উইকেট নেওয়া প্রথম বোলার হন।

তিনি ছিলেন ইনিংসে ব্যবহৃত সপ্তম বোলার। একমাত্র ওভারে তার বোলিং ফিগার ১-০-১-৫! যা পুরুষদের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে সবচেয়ে কম খরচে পাঁচ উইকেট। ৬৯ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে তার ২৮ উইকেটের মধ্যে পাঁচটিই এসেছে ওই এক ওভারে।

৬/ দ্য ওভালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৬ রানে জিতেছিল ভারত। যা ছিল বছরের সবচেয়ে রোমাঞ্চকর টেস্ট সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচ। শেষ দিনে ৫২ মিনিটের নাটকীয় লড়াইয়ে শেষ হয় সিরিজ।

এটি টেস্টে ভারতের সবচেয়ে কম ব্যবধানে জয় এবং একই সঙ্গে ৩০০-এর বেশি রান ডিফেন্ড করে ১০ রানের কম ব্যবধানে জয়ের ইতিহাসে প্রথম উদাহরণ।

৭/ ২০২৫ সালের মেজর লিগ ক্রিকেটের লিগ পর্বে ১০ ম্যাচের মধ্যে ৭টি হেরেও শেষ পর্যন্ত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে এমআই নিউ ইয়র্ক। ন্যূনতম ১০টি লিগ ম্যাচ থাকা পাঁচ বা তার বেশি দলের কোনো টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে এত কম জয়-হারের অনুপাত (০.৪৩) নিয়ে কেউ কখনও চ্যাম্পিয়ন হয়নি।

৮/ গত ২৬ ডিসেম্বর মায়ানমারের বিপক্ষে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ৮ উইকেট নিয়েছেন ভুটানের সোনাম ইয়েশে। যা কোনো পেশাদার পুরুষ বা নারী টি-টোয়েন্টি ম্যাচে (গ্লোবাল লিগ বা আন্তর্জাতিক) সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড।

৯/ ২০২৫ সালের আইপিএলে কোয়ালিফায়ার-১ ও ফাইনালসহ নিজেদের ঘরের বাইরে ৯ ম্যাচের সবকটি জিতেছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (আরসিবি)। আইপিএলের ১৮ মৌসুমের ইতিহাসে এটিই প্রথম ঘটনা।

১০/ ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের জুলাই পর্যন্ত টানা ১০টি টেস্ট জিতেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। যা টেস্ট ইতিহাসে তৃতীয় দীর্ঘতম। এই ধারার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অর্জন ছিল লর্ডসে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে অস্ট্রেলিয়াকে হারানো।

প্রোটিয়া অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা এখন তার প্রথম ১২টি টেস্টের মধ্যে ১১টিতেই জয় পেয়েছেন। যা আলাদা রেকর্ড।

১১/ চলতি পাঁচ ম্যাচের অ্যাশেজ সিরিজ নিশ্চিত করতে অস্ট্রেলিয়ার লেগেছে মাত্র ১১ দিন। যা যৌথভাবে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন। এর আগে তাদের জন্য একই সময় লেগেছিল ১৯৫০/৫১ (দেশে), ২০০১ (বাইরে) ও ২০০২/০৩ (দেশে)।

সর্বনিম্ন রেকর্ডটি ১৯২১ সালের ইংল্যান্ড সফরে- মাত্র ৮ দিন।

১২/ দিল্লির হয়ে বিরাট কোহলির দুই লিস্ট-এ ম্যাচের মধ্যবর্তী সময় ১২ বছর ২ মাস ২৬ দিন। বিজয় হাজারে ট্রফিতে খেলার আগে তিনি শেষ খেলেছিলেন ২০১৩ সালের এনকেপি সালভে চ্যালেঞ্জার ট্রফি ফাইনালে। সেই একাদশে ছিলেন গৌতম গম্ভীর, ভিরেন্দর শেবাগ ও আশিস নেহরার মতো খেলোয়াড়রা।

দুই সপ্তাহের একটু বেশি সময় পরে তিনি জয়পুরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ভারতের হয়ে দ্রুততম ওয়ানডে সেঞ্চুরি (৫২ বলে) করেছিলেন।

১৩/ নেপিয়ারে গত নভেম্বরে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ১০৯* করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১৩টি ভিন্ন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করা প্রথম ব্যাটার হন শাই হোপ। এর মাধ্যমে তিনি প্রথম ব্যাটার হিসেবে বাকি ১১টি পূর্ণ সদস্য দেশের বিপক্ষে শতক করেন।

সবচেয়ে বেশি দেশের বিপক্ষে সেঞ্চুরির তালিকায় যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থানে মাহেলা জয়বর্ধনে ও ক্রিস গেইল- ১২টি করে। শচীন টেন্ডুলকার, গ্যারি কার্স্টেন, রাহুল দ্রাবিড়, রিকি পন্টিং, কুমার সাঙ্গাকারা, হাশিম আমলা, মার্টিন গাপটিল, শিখর ধাওয়ান ও পল স্টার্লিং করেছেন ১১টি দলের বিপক্ষে।

১৪/ চলতি বিজয় হাজারে ট্রফিতে মাত্র ১৪ বছর ২৭২ দিন বয়সে ৮৪ বলে ১৯০ রানের ইনিংস খেলে লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে সেঞ্চুরি করা কনিষ্ঠতম ক্রিকেটার হয়ে যান বৈভব সূর্যবংশী। আগের রেকর্ডটি ছিল জহুর এলাহির- ১৫ বছর ২০৯ দিন

এর আগে গত আইপিএলে তিনি টি-টোয়েন্টিতে কনিষ্ঠতম সেঞ্চুরিয়ান হয়েছিলেন। পরে ইন্ডিয়া ‘এ’ ও বিহারের হয়েও শতক করেছেন। ১৮ বছর হওয়ার আগে পুরুষদের টি-টোয়েন্টিতে আর কোনো ক্রিকেটারের শতক নেই।

১৫/ গত জুলাইয়ে ইউরোপিয়ান বাছাইপর্বে রানার্স-আপ হয়ে ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের টিকেট নিশ্চিত করেছে ইতালি। তারা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলা ১৫তম সহযোগী সদস্য দল (আফগানিস্তান ও আয়ারল্যান্ডসহ)।

ইউরোপিয়ান বাছাই থেকে বাদ পড়া তিন দলের মধ্যে ছিল স্কটল্যান্ড। যারা আগের নয়টি আসরের ছয়টি খেলেছিল।

১৬/ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে ভারতের প্রতি উইকেটে গড় রান ছিল ১৬.৩৯ (অতিরিক্তসহ)। যা ভারতের কোনো হোম টেস্ট সিরিজে সর্বনিম্ন এবং সামগ্রিকভাবে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন। সর্বনিম্ন গড়ের রেকর্ড ২০০২-০৩ নিউজিল্যান্ড সফরে- মাত্র ১৩.৩৭।

এর আগের বছর ভারত ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ০-৩ ব্যবধানে হেরেছিল। টানা দুই বছরে ঘরের মাঠে দুটি টেস্ট সিরিজ হারার ঘটনা এর আগে ঘটেছিল চার দশকেরও বেশি আগে- ১৯৮৩ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে এবং ১৯৮৪-৮৫তে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে।

১৭/ ২০২৩ সাল থেকে পুরুষদের টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে ভারতের ধারাবাহিক নিখুঁত রেকর্ড দাঁড়িয়েছে ১৭-০। এটি শুরু হয়েছিল ২০২৩ এশিয়ান গেমস (চীন) থেকে, যেখানে ফাইনাল বৃষ্টিতে বাতিল হলেও সিডিংয়ের ভিত্তিতে ভারত চ্যাম্পিয়ন হয়।

এরপর ২০২৪ সালে তারা ক্যারিবিয়ান ও যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়। সর্বশেষ, গত সেপ্টেম্বর সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপেও ভারত অপরাজিত থাকে।

১৮/ মহেন্দ্র সিং ধোনিকে ছাড়া আইপিএলে টানা দুটি ফাইনালের জন্য লেগেছে ১৮টি আসর। এই টুর্নামেন্টের পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন অধিনায়ক ২০২৩ পর্যন্ত ১১টি ফাইনালে খেলেছেন। যার একটি ছিল ২০১৭ সালে রাইজিং পুনে সুপারজায়ান্টের হয়ে, স্টিভেন স্মিথের নেতৃত্বে।

১৯/ ২০২৫ সালের মেজর লিগ ক্রিকেটে ওয়াশিংটন ফ্রিডমের বিপক্ষে সান ফ্রান্সিসকো ইউনিকর্নসের হয়ে এক ম্যাচে ১৯টি ছক্কা মেরেছিলেন ফিন অ্যালেন। যে কোনো টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ। এর আগে ক্রিস গেইল ২০১৭ বিপিএল ফাইনালে এবং এস্তোনিয়ার সাহিল চৌহান গত বছর সাইপ্রাসের বিপক্ষে ১৮টি করে ছক্কা মেরেছিলেন।

২০/ টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ের ৩০ নম্বরে থাকা স্পেন টানা ২০টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ জিতেছে (ফেব্রুয়ারি ২০২৩ থেকে), যা যে কোনো দলের জন্য সর্বোচ্চ। অদ্ভুতভাবে, এটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে যেকোনো দলের যৌথভাবে দীর্ঘতম জয়রখ, অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে। যারা সব ফরম্যাট মিলিয়ে টানা ২০ ম্যাচ জিতেছিল।

২১/ নাভি মুম্বাইয়ে নারী বিশ্বকাপ ফাইনালে ম্যাচসেরা হওয়ার সময় শেফালি বর্মার বয়স ছিল মাত্র ২১ বছর ২৭৯ দিন। যা তাকে পুরুষ ও নারী মিলিয়ে বিশ্বকাপ ফাইনালে সর্বকনিষ্ঠ ম্যাচসেরা বানিয়েছে।

তিনি চোট পাওয়া প্রাতিক রাওয়ালের বদলি হিসেবে দলে এসেছিলেন। সেমি-ফাইনালের আগে এক বছর তিনি কোনো ওয়ানডে খেলেননি। অন্যদিকে ৩৬ বছর ২৩৯ দিনে হারমনপ্রীত কৌর নারী বিশ্বকাপ জেতা বয়োজ্যেষ্ঠ অধিনায়ক হন।

২২/ চলতি অ্যাশেজ সিরিজে জ্যাক ক্রলি ও বেন ডাকেটের ওপেনিং জুটি গড়ে ২১.৭৫ বল টিকেছে। যা অন্তত সাতবার ওপেন করা কোনো জুটির জন্য টেস্ট সিরিজ ইতিহাসে সর্বনিম্ন। এর আগে এতদিন সবচেয়ে খারাপ গড় ছিল ৩১ বল।

সিরিজে ইংল্যান্ডের ওপেনিং জুটির গড় মাত্র ১৯, যেখানে অস্ট্রেলিয়ার ৩৪.৮৭। আট ইনিংসের মধ্যে তিনটিতে প্রথম উইকেট পড়েছে প্রথম ওভারে এবং কখনও আট ওভারের বেশি টেকেনি এই জুটি।

২৩/ টেস্ট ক্রিকেটে ২৩ ইনিংসে প্রথম ওভারে মোট ২৬টি উইকেট নিয়েছেন মিচেল স্টার্ক। বল বাই বল তথ্য অনুযায়ী, এই দুই সংখ্যায় তার ওপরে আছেন শুধু জিমি অ্যান্ডারসন- ২৯ ইনিংসে ২৯ উইকেট।

২০২৫ সালে স্টার্ক প্রথম ওভারে নিয়েছেন ৮ উইকেট, যা এক পঞ্জিকাবর্ষে সর্বোচ্চ।

চলতি বছর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে কিংস্টনে তার প্রথম ওভারের তিন উইকেট তাকে টেস্ট ইতিহাসের দ্রুততম পাঁচ উইকেট এনে দেয়- মাত্র ১৫ বলে।

২০২৫ সালে স্টার্কের স্ট্রাইক রেট ২৮.৩ (উইকেট ৫৫টি )। এক পঞ্জিকাবর্ষে অন্তত ৫০ উইকেট নেওয়া বোলারদের মধ্যে সেরা। ওয়াসিম আকরামের ৪১৪ উইকেট ছাড়িয়ে তিনি এখন বাহাতি বোলারদের মধ্যে শুধু রঙ্গনা হেরাথের (৪৩৩) পেছনে।

২৪/ টেস্টে ১৫০ বা তার বেশি রান পাঁচবার করেছেন যশস্বী জয়সওয়াল। যার সবশেষটি গত নভেম্বরে দিল্লিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। ২৪ বছর বয়সের আগে সবচেয়ে দেড়শ রানের তালিকায় টেস্ট ইতিহাসে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। আটটি দেড়শ নিয়ে সবার ওপরে ডন ব্র্যাডম্যান।

২৫/ ২০২৫ সালে নারী ওয়ানডেতে ৩০০ বা তার বেশি রান এসেছে ২৫ বার, যা এক বছরে এই ফরম্যাটের সর্বোচ্চ রেকর্ড। আগের সর্বোচ্চ ছিল ২০২২ সালে ১০টি, যা এর চেয়ে আড়াই গুণ কম।

এর মধ্যে ভারত করেছে ৯টি, দক্ষিণ আফ্রিকা ৬টি এবং অস্ট্রেলিয়া ৫টি। এর আগে কোনো দল এক বছরে পাঁচটির বেশি ৩০০ রান করতে পারেনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন