সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) কূটনৈতিক মহলে গভীর শোক বিরাজ করেছে। রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সশরীরে উপস্থিত হয়ে ২৮টি দেশের প্রতিনিধিরা তার প্রতি অফুরন্ত শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। ভোর সাড়ে ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮০ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই নেত্রী।
কার্যালয়ে খোলা শোক বইয়ে প্রথম স্বাক্ষর করেন চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন; এরপর একে একে ভারত, পাকিস্তান, জার্মানি, ইরান, ফ্রান্স, কাতার, ফিলিস্তিন, স্পেনসহ মোট ২৮টি দেশের কূটনৈতিক প্রতিনিধিরা তাদের শোকবার্তা লিপিবদ্ধ করেন। এসব কূটনীতিক শোক বইতে বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবিচল সংগ্রাম ও অবদান স্মরণ করেন।
বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়াল জানান, আজ বিকেল থেকে গুলশান কার্যালয়ে বিদেশি কূটনীতিকদের আনাগোনা শুরু হয়, যেখানে প্রত্যেকেই শ্রদ্ধা জানাতে ও শোক প্রকাশ করতে উপস্থিত হয়েছেন।
সাধারণ জনগণ ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দও শোক প্রকাশে কার্যালয়ে ভিড় করেছেন। ২০ দলের জোটসহ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হক, বিজেপির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থসহ অনেকে শোক বইয়ে স্বাক্ষর করেছেন। প্রিয় নেত্রীকে হারানোর বেদনায় পুরো কার্যালয় সাজছে শোকের আবহনেই।
বিএনপি বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দেশব্যাপী সাত দিনের শোক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। শোক বই ‘গণতন্ত্রের মাতা’র প্রতি সম্মান জানাতে খোলা হয়েছে বলে জানায় বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান। শোক বই আজ রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকবে এবং আগামী ৩১ ডিসেম্বর বিকেল ৪টা থেকে রাত ৯টা ও ১ জানুয়ারি সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত শোকবার্তা লেখার জন্য সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।




