দুবাই ক্যাপিটালসের বিপক্ষে ৮ উইকেটের দাপুটে জয়ে ম্যাচসেরার পুরস্কারটি উঠেছে আফগান স্পিনার আল্লাহ গজনফরের হাতে এটাই ছিল প্রত্যাশিত। দুর্দান্ত বোলিংয়ে মাত্র ২৮ রান খরচ করে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট শিকার করেন তিনি। তবে এই জয়ের নেপথ্যে আরেকজন নীরব নায়ক ছিলেন সাকিব আল হাসান, যার কৃপণ বোলিং দুবাইকে বড় সংগ্রহ গড়তে দেয়নি।
সাকিবের কৃপণতায় থমকে যায় দুবাই
যদিও গজনফরের মতো তিন উইকেট পাননি সাকিব, তবে তাঁর প্রভাব ছিল আরও গভীর। ৪ ওভারে মাত্র ১১ রান দিয়ে নেন ১টি উইকেট, ২৪ বলের মধ্যে একটিও বাউন্ডারি হজম করেননি। পূর্ণ ৪ ওভার বল করে এতটা কিপ্টেমি সাকিব দেখিয়েছেন মোট আটবার। এর মধ্যে সবচেয়ে স্মরণীয় ছিল ২০১৩ সালের ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে যেখানে তিনি ৪ ওভারে দেন মাত্র ৬ রান।
পোলার্ডের আস্থা, সাকিবের জবাব
শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে এমিরেটস অধিনায়ক কেইরন পোলার্ড পঞ্চম ওভারে সাকিবের হাতে বল তুলে দেন। প্রথম বলেই দুবাই ওপেনার শায়ান জাহাঙ্গীরকে ফেরান বাংলাদেশের অলরাউন্ডার। সেই ওভারে খরচ হয় মাত্র ২ রান। সপ্তম ওভারে ফিরে এসে দেন ৪ রান।
নিজের তৃতীয় ও দলের নবম ওভারে ছিলেন আরও ধারালো মোহাম্মদ নবি ও জর্ডান কক্স জুটি তাঁর কাছ থেকে আদায় করতে পারে মাত্র ১ রান। শেষ ওভারে সাকিব দেন ৪ রান। সব মিলিয়ে দুবাই ক্যাপিটালস ৮ উইকেটে থামে ১২৩ রানে।
সহজ জয়ে প্রথম কোয়ালিফায়ার নিশ্চিত
১২৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে এমিরেটসকে খুব বেশি ব্যাটিং করতে হয়নি। মাত্র চারজন ব্যাটারের ব্যাটেই কাজ সেরে নেয় তারা। মুহাম্মদ ওয়াসিম ১৯ বলে ২৭ রান করেন। এরপর আন্দ্রে ফ্লেচার আউট হন ২১ রানে। তবে টম ব্যান্টনের ২০ বলে ২৮ এবং অধিনায়ক পোলার্ডের অপরাজিত ৩১ বলে ৪৪ রানে ভর করে এমিরেটস জিতে যায় ২০ বল হাতে রেখে।
এই জয়ের মাধ্যমে আগেই প্লে-অফ নিশ্চিত করা এমিরেটস জায়গা করে নেয় প্রথম কোয়ালিফায়ারে। আগামী ৩০ ডিসেম্বর সেখানে তাদের প্রতিপক্ষ গালফ জায়ান্টস, যারা নকআউট পর্বের টিকিট সবার আগে কেটেছিল।




