চার-ছক্কার ফুলঝুরি আর গ্যালারি মাতানো উত্তেজনার মধ্য দিয়ে পর্দা উঠল বিপিএল ২০২৬-এর। উদ্বোধনী ম্যাচেই ক্রিকেটপ্রেমীরা উপভোগ করলেন এক হাই-ভোল্টেজ লড়াই। স্বাগতিক সিলেট টাইটান্সের দেওয়া ১৯১ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর বিধ্বংসী সেঞ্চুরিতে ৮ উইকেটের দাপুটে জয় তুলে নিয়েছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। ২ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় শান্তর দল।
ইমন-ঝড়ে সিলেটের পাহাড়সম পুঁজি
টসে হেরে শুরুতে ব্যাটিংয়ে নামা সিলেট টাইটান্স নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯০ রান সংগ্রহ করে। সিলেটের এই বড় সংগ্রহের কারিগর ছিলেন তরুণ তুর্কি পারভেজ হোসেন ইমন। তিনি মাত্র ৩৩ বলে ৪টি চার ও ৫টি ছক্কায় ৬৫ রানের এক অপরাজিত ইনিংস খেলেন। এছাড়া ওপেনার রনি তালুকদার (৪১) ও পাকিস্তানি রিক্রুট সাইম আইয়ুব (২৮) ভালো শুরু এনে দেন। শেষদিকে আফিফ হোসেনের ১৯ বলে ৩৩ রানের ক্যামিও ইনিংসটি সিলেটকে পাহাড়সম উচ্চতায় নিয়ে যায়। রাজশাহীর পক্ষে সন্দীপ লামিছানে ৩৮ রানে ২ উইকেট শিকার করেন।
শান্ত’র সেঞ্চুরি ও মুশফিকের ফিনিশিং
১৯১ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতে তানজিদ হাসান তামিম (১০) ও সাহিবজাদা ফারহানের (২০) উইকেট হারালেও দমে যায়নি রাজশাহী। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত এক প্রান্ত আগলে রেখে পাল্টা আক্রমণ শুরু করেন। তিনি মাত্র ৫৯ বলে ১০০ রানের এক অনবদ্য অপরাজিত ইনিংস খেলেন, যা ১০টি চার ও ৫টি ছক্কায় সাজানো ছিল।
শান্তকে যোগ্য সঙ্গ দেন অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম। এই অভিজ্ঞ ব্যাটার ৩০ বলে ৩টি চার ও ২টি ছক্কায় ৫১ রান করে অপরাজিত থাকেন। শান্ত ও মুশফিকের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ১৯.৪ ওভারেই ১৯২ রান তুলে জয় নিশ্চিত করে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। সিলেটের হয়ে খালেদ আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ ১টি করে উইকেট নেন।
ম্যাচের নায়ক
উদ্বোধনী ম্যাচেই সেঞ্চুরি করে দলকে জয় উপহার দেওয়ায় ম্যাচ সেরার পুরস্কার জিতেছেন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।




