ঢাকা | বৃহস্পতিবার
২৯শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,
১৫ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তারেক রহমানের সংবর্ধনায় ৫০ লাখ মানুষের উপস্থিতি টার্গেট

দীর্ঘ ১৭ বছর তিন মাস ১৪ দিনের নির্বাসনের অবসান ঘটিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরছেনতাঁর প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে দলীয় নেতাকর্মীসমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছেপ্রিয় নেতাকে বরণ করে নিতে রাজধানীর পূর্বাচল ৩০০ ফিট এলাকায় বিশাল গণসংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে নান্দনিক মঞ্চ নির্মাণসহ সার্বিক প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে

সরেজমিনে দেখা গেছে, তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে তৈরি সভামঞ্চ দেখতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নেতাকর্মীরা ছুটে আসছেন। বিএনপির সিনিয়র নেতারা গত এক সপ্তাহ ধরে একাধিকবার ভেন্যু পরিদর্শন করেছেনমঙ্গলবার সকালে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহম্মেদ মঞ্চ পরিদর্শন করে জানান, এ গণসংবর্ধনায় প্রায় অর্ধকোটি মানুষ অংশ নিতে পারেন। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও সালাহউদ্দিন আহমদসহ শীর্ষ নেতারাও প্রস্তুতি কার্যক্রম তদারকি করছেন।

তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ঘিরে প্রশাসনের পক্ষ থেকেও সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, বিমানবন্দর থেকেই শুরু হবে বিশেষ নিরাপত্তা বলয়।

তার চলাচলের পথে থাকবে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য, সোয়াট টিম, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও ডগ স্কোয়াড। ইউনিফর্মধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকেও গোয়েন্দা নজরদারি থাকবে। বাসভবন ও দলীয় কার্যালয় ঘিরেও থাকবে বহুস্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

পুলিশ সূত্র জানায়, তারেক রহমানের নিরাপত্তায় নিয়োজিত সদস্যদের রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত ব্যাকগ্রাউন্ড যাচাই করে দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিমানবন্দর থেকে গুলশান পর্যন্ত যাতায়াতের সময় ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে সড়ক ডাইভারশন ও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে টোল ফ্রি রাখার চিন্তাও রয়েছে। পাশাপাশি বিএনপির পক্ষ থেকেও আলাদা নিরাপত্তা টিম গঠন করা হয়েছে।

বিএনপির নেতারা মনে করছেন, তারেক রহমানের দেশে ফেরা দেশের রাজনীতিতে নতুন গতি আনবে। দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মতে, এই প্রত্যাবর্তন শুধু একটি রাজনৈতিক ঘটনা নয়, বরং দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান। নারী নেত্রীদের ভাষায়, ২৫ ডিসেম্বর হবে ঈদের দিনের মতো আনন্দের। নিরাপত্তা বিশ্লেষকরাও বলছেন, সমন্বিত প্রস্তুতির মাধ্যমে এই গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ঘটনার ঝুঁকি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন