আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে র্যাবের টিএফআই সেলে ১৪ জনকে গুম ও নির্যাতনের মামলায় শেখ হাসিনা, তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক ও বর্তমান সেনা কর্মকর্তাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ আজ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারিক প্যানেল দেবেন। একই দিন আসামিদের পক্ষে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি চাওয়ার আবেদন নিয়েও আদেশ দেওয়ার কথা রয়েছে।
মামলার ১৭ আসামির মধ্যে ১০ জন গ্রেফতারকৃত সেনা কর্মকর্তা রয়েছেন। তারা হলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, মো. কামরুল হাসান, মো. মাহাবুব আলম, কে এম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন, আনোয়ার লতিফ খান, লে. কর্নেল মো. মশিউর রহমান, সাইফুল ইসলাম সুমন এবং মো. সারওয়ার বিন কাশেম।
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিকসহ সাত আসামি পলাতক রয়েছেন। এর আগে দুই পৃথক মামলায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ৩০ জনের বিরুদ্ধে ৮ অক্টোবর গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
সেনাবাহিনী ১১ অক্টোবর এক সংবাদ সম্মেলনে ১৫ জন কর্মরত সেনা কর্মকর্তাকে হেফাজতে নেওয়ার কথা ঘোষণা করে। সেনাবাহিনীর অ্যাডজুটান্ট জেনারেল মেজর জেনারেল মো. হাকিমুজ্জামান জানান, মামলার ৩০ জন আসামির মধ্যে ২৫ জনই বিভিন্ন পর্যায়ের সেনা কর্মকর্তা, যার মধ্যে ৯ জন অবসরপ্রাপ্ত।
পরবর্তীতে ঢাকা সেনানিবাসের একটি ভবনকে সাময়িকভাবে কারাগার ঘোষণা করা হয়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ঢাকা সেনানিবাসের বাশার রোড সংলগ্ন এমইএস বিল্ডিং নং-৫৪ সাময়িকভাবে কারাগার হিসেবে ব্যবহৃত হবে। গ্রেফতার সেনা কর্মকর্তাদের পরবর্তীতে এই কারাগারে রাখা হয়।




