আবুধাবির ফ্লাডলাইটের নিচে সোমবার রাতের ম্যাচটি ছিল নিখাদ উত্তেজনায় ঠাসা। স্বল্প রানের ম্যাচেও যে এতটা শিহরণ থাকতে পারে, তা হয়তো গ্যালারিতে থাকা দর্শকরা আগে কখনও উপভোগ করেনি। ১৩৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে জয়-পরাজয়ের সমীকরণ গড়িয়েছে শেষ বল পর্যন্ত। শেষ পর্যন্ত ৪ উইকেটের ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে নিয়ে মাঠ ছাড়ে শারজাহ ওয়ারিয়র্স।
নাইট রাইডার্সের ব্যাটিং বিপর্যয়:
টস হেরে আগে ব্যাটিং করতে নেমে শুরুতেই শারজাহর বোলারদের তোপের মুখে পড়ে আবুধাবি নাইট রাইডার্স। শারজাহর নিয়ন্ত্রিত বোলিং ও নিখুঁত লাইন-লেংথের সামনে নাইট ব্যাটাররা ছিলেন একেবারেই অসহায়। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে মাত্র ১৩৪ রান তুলতে সক্ষম হয় তারা। দলের কোনো ব্যাটারই বড় ইনিংস খেলতে না পারায় আবুধাবির সংগ্রহটা ছিল লড়াকু কিন্তু সংক্ষিপ্ত।
শারজাহর মন্থর শুরু ও শেষ বলের স্নায়ুযুদ্ধ:
জবাবে ১৩৫ রানের মামুলি লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা মোটেও সহজ ছিল না শারজাহ ওয়ারিয়র্সের জন্য। ১৩৪ রান নিয়েই মরণপণ লড়াই শুরু করে নাইট রাইডার্সের বোলাররা। তাদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে শারজাহর রানের চাকা একসময় থমকে যায়। ম্যাচ গড়ায় ইনিংসের অন্তিম মুহূর্তে। জয়ের জন্য শেষ বলে যখন মাত্র ১ রানের প্রয়োজন, তখন চূড়ান্ত স্নায়ুচাপ সামলে জয় নিশ্চিত করে শারজাহ। ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৩৫ রান তুলে জয়ের বন্দরে পৌঁছায় তারা।
পয়েন্ট টেবিলের প্রভাব:
এই নাটকীয় জয়ের ফলে পয়েন্ট টেবিলের তলানির দিকে থাকা শারজাহ ওয়ারিয়র্স কিছুটা স্বস্তিতে ফিরল। অন্যদিকে, নিশ্চিত জেতার সুযোগ পেয়েও শেষ মুহূর্তে ম্যাচটি হাতছাড়া হওয়ায় বড় ধাক্কা খেয়েছে আবুধাবি নাইট রাইডার্স। ব্যাটে-বলের এই লড়াই প্রমাণ করল, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে জয় নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত শেষ কথা বলে কিছু নেই।




