ঢাকা | বৃহস্পতিবার
২৯শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,
১৫ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিএনপির সঙ্গে আসন সমঝোতা নাকি জোট ভাঙ্গন?

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আসন সমঝোতা নিয়ে বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদের মধ্যে আলোচনার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও নিশ্চিত নয়। প্রথমে দুটি আসনে সমঝোতার প্রস্তাব দেওয়ার পরও দলের অভ্যন্তরীণ নেতারা অধিক সংখ্যক আসনে সমঝোতা চাচ্ছেন।

সূত্র জানায়, পটুয়াখালী-৩ (দশমিনা–গলাচিপা) আসনে দলের সভাপতি নুরুল হক নুর এবং ঝিনাইদহ-২ (হরিণাকুন্ডু–ঝিনাইদহ সদর) আসনে সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খাঁন নির্বাচনে অংশ নেবেন বলে প্রাথমিকভাবে ঠিক করা হয়েছিল। তবে সোমবার (২২ ডিসেম্বর) গণঅধিকার পরিষদের জাতীয় নির্বাহী কমিটির সভায় নেতারা দুই আসনে সমঝোতা নিয়ে একমত হননি। তারা অন্তত ১০টি আসনে সমঝোতা চাইছেন।

বিএনপির সঙ্গে আলোচনা অনুযায়ী যে দুই আসনে সমঝোতা হয়েছে সেখানে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থীরা ‘ট্রাক’ প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নেবেন। এ ক্ষেত্রে বিএনপি দলীয় প্রার্থী নামাতে পারবে না। কিন্তু পটুয়াখালী-৩ আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী হাসান মামুন ইতিমধ্যেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র হাসান আল মামুন ফেসবুকে জানিয়েছেন, দলের নেতাদের মতামতের ভিত্তিতে আগামী জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির সঙ্গে কোনো জোট বা আসন সমঝোতা করা হবে না। তিনি আরও বলেন, ২৩ ডিসেম্বর দল সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তাদের স্থির অবস্থান জানাবে।

দলের উচ্চতর সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন, রোববার বিএনপির সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। আমাদের মোট ১০টি আসনে সমঝোতার প্রস্তাব ছিল, কিন্তু প্রাথমিকভাবে দু’টি আসনে সমঝোতার কথাই বলা হয়েছে।

একজন কেন্দ্রীয় নেতা নাম প্রকাশ না করে বলেন, আমাদের অন্তত ছয়জন প্রার্থী আছে যারা স্থানীয়ভাবে শক্তিশালী। তাই মাত্র দুটি আসনে সমঝোতা মানা হবে না। ন্যূনতম ছয়–সাতটি আসন প্রয়োজন। না হলে ট্রাক প্রতীকে সর্বদলের প্রার্থী দেওয়া হবে।

বিগত সময়ে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় গণঅধিকার পরিষদ বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে সক্রিয় ছিল। দীর্ঘদিন ধরে ত্রয়োদশ নির্বাচনে দুই দলের ভোট জোটের গুঞ্জন থাকলেও চূড়ান্ত অবস্থান এখনও স্পষ্ট নয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন