ঢাকা | বৃহস্পতিবার
২৯শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,
১৫ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফিলিস্তিনি জমিতে ইসরায়েলের নতুন বসতি ১৯টি

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যেই পশ্চিম তীরে নতুন করে আরও ১৯টি অবৈধ ইহুদি বসতি স্থাপনের অনুমোদন দিয়েছে ইসরায়েল। দেশটির কট্টর ডানপন্থি রাজনীতিবিদ ও বর্তমান অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোতরিচ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। খবরটি জানিয়েছে বিবিসি।

বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্মোতরিচ জানান, তিনি ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজের কাছে এই প্রস্তাব উত্থাপন করেছিলেন, যা শনিবার অনুমোদিত হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রস্তাবিত স্বাধীন ও সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাকে বাধাগ্রস্ত করতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসরায়েল সরকার। স্মোতরিচ নিজেও পশ্চিম তীরে বসবাসকারী একজন ইসরায়েলি সেটলার।

ইসরায়েলের এই সিদ্ধান্তকে কড়া সমালোচনা করেছে সৌদি আরব। পাশাপাশি জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসও এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের দখলদারিত্বের সম্প্রসারণ মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি করছে এবং প্রস্তাবিত ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎকে গুরুতর হুমকির মুখে ফেলছে।

দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক আইন উপেক্ষা করে পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপন করে ধাপে ধাপে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড দখল করে আসছে ইসরায়েল। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর শাসনামলে গত তিন বছরে এই কার্যক্রম উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২২ সালের শেষ দিকে লিকুদ পার্টির নেতৃত্বে সরকার গঠনের পর থেকে পশ্চিম তীরে ইহুদি আবাসনের সংখ্যা ১২৮টি থেকে বেড়ে ১৭৮টিতে দাঁড়িয়েছে, যা প্রায় ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি।

স্মোতরিচ বিবিসিকে জানিয়েছেন, নেতানিয়াহুর সরকার ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনাকে পুরোপুরি ‘কবর দেওয়ার’ লক্ষ্যেই এগোচ্ছে। ফিলিস্তিনি সংগঠন পিস নাও-এর তথ্যমতে, বর্তমানে পশ্চিম তীরে অবৈধ ইসরায়েলি বসতির সংখ্যা ১৬০টি, যেখানে প্রায় ৭ লাখ ইসরায়েলি বসবাস করছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন