ঢাকা | সোমবার
২রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,
১৯শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিপিএলে খেলোয়াড়দের ওয়ার্কলোড মনিটরিংয়ের দায়িত্ব নিয়েছে বিসিবি

বছরের শেষ সপ্তাহ থেকে শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল), এবং এরপরই জাতীয় দলের ব্যস্ত সূচি শুরু হবে। আগামী বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে, বিপিএল খেলতে থাকা ক্রিকেটারদের ওয়ার্কলোড ও ফিটনেস ম্যানেজমেন্টের দায়িত্ব পুরোপুরি নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

দ্বাদশ আসরের বিপিএল শুরু হবে সিলেটে ২৬ ডিসেম্বর। প্রায় এক মাসব্যাপী উত্তেজনার পর ২৩ জানুয়ারি টুর্নামেন্টের পর্দা নামবে। তবে এর দুই সপ্তাহের মধ্যেই শুরু হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি, তাই বিপিএলে খেলোয়াড়দের চোট বা অতিরিক্ত ক্লান্তি বিশ্বকাপে তাদের পারফরম্যান্সে প্রভাব ফেলতে পারে।

বিসিবি ক্রিকেট অপ্সের চেয়ারম্যান নাজমুল আবেদীন ফাহিম বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে জানান, বিপিএল শুরু থেকেই আমরা ক্রিকেটারদের ফিটনেস ও ওয়ার্কলোডের দিকে নজর রাখব। যাদের টুর্নামেন্টে খেলা আগে শেষ হবে, তাদের নিয়ে কাজ শুরু হবে ফাইনালের আগেই। যারা প্লে-অফে ওঠেনি, তাদের মধ্যে সম্ভাব্য জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের নিয়ে আমরা কাজ শুরু করে দেব।

অপ্সের ইনচার্জ শাহরিয়ার নাফীস জানান, গত বছর আমরা এই পদক্ষেপ নিয়েছিলাম, এবারও তা অব্যাহত থাকবে। বিপিএলে একজন ট্রেনার পুরো প্রক্রিয়া দেখবে। জাতীয় দলের সম্ভাব্য ক্রিকেটারদের জিপিএসের মাধ্যমে ওয়ার্কলোড ট্র্যাক করা হবে। যদি কেউ রেড জোনে থাকে, তা সংশ্লিষ্ট ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে শেয়ার করে তাকে বিশ্রাম দেওয়া হবে।

ফাহিম আরও জানান, বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচের জন্য বাংলাদেশ দল জানুয়ারির ২৮ তারিখে ভারতে যাবে। বিপিএলের পর ঘরেই দুই-তিন দিনের ছোট প্রশিক্ষণ কার্যক্রম হবে। এরপর ২৮ তারিখে বেঙ্গালুরুতে পৌঁছাব। সেখানে বিশ্বকাপের আগে দুই প্র্যাকটিস ম্যাচ খেলা হবে একটি নামিবিয়ার বিরুদ্ধে, অন্যটি আফগানিস্তানের বিপক্ষে।

শেষ পর্যন্ত, ৭ ফেব্রুয়ারি কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের অভিযান শুরু হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন