ঢাকা | সোমবার
২রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,
১৯শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নতুন বাংলাদেশের পথে গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা: রিজওয়ানা হাসান

রিজওয়ানা হাসান বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে মানুষের প্রত্যাশা ছিল একটি গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন সমাজ গড়ে তোলা। তবে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সেই প্রত্যাশা পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। এ ব্যর্থতার কারণে দেশ নানা গণঅভ্যুত্থান ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে আজ একটি নতুন সন্ধিক্ষণে এসেছে।

তিনি বলেন, বর্তমান সময়টি এমন একটি পর্যায় যেখানে পুরোনো শাসনব্যবস্থা পেছনে ফেলে নতুনভাবে গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করা হবে। আসন্ন ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন ও গণভোটের মাধ্যমে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা আরও সুদৃঢ় হবে বলে তিনি আশাবাদ প্রকাশ করেন।

রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রসঙ্গে রিজওয়ানা হাসান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে শক্তির ওপর ভর করে প্রতিপক্ষকে দমন করার যে চর্চা চলে আসছে, নতুন বাংলাদেশে সেই সংস্কৃতির কোনো স্থান নেই। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রাজনৈতিক শক্তি প্রমাণ করার একমাত্র মাধ্যম হলো জনগণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ ও প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে।

দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের স্বাভাবিক প্রস্তুতি রয়েছে, তবে সাম্প্রতিক সময়ে প্রতিপক্ষের গোপন ও সংগঠিত আক্রমণ মোকাবিলায় অতিরিক্ত সতর্কতা গ্রহণ করা হচ্ছে।

সরকারের সাফল্য ও ব্যর্থতা নিয়ে রিজওয়ানা হাসান বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের সময় রাষ্ট্র ভেঙে পড়া অবস্থায় ছিল। সেই পরিস্থিতি থেকে দেশকে পুনরায় কার্যকর পথে ফিরিয়ে আনা ছিল সরকারের মূল কাজ।

সুষ্ঠু নির্বাচন, বিচার ও কাঠামোগত সংস্কার এই তিনটি লক্ষ্য সফলভাবে বাস্তবায়ন করলে সরকারকে সফল বলা যাবে।

তিনি আরও বলেন, সরকারের মূল প্রচেষ্টা হচ্ছে একটি সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করা, যেখানে জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। তবে কিছু গোষ্ঠী এই প্রক্রিয়া ব্যাহত করার চেষ্টা করছে, যাদের প্রতিহত করতে সরকার ও সমাজকে একসঙ্গে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন