ঢাকা | শুক্রবার
৩০শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,
১৬ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এবারের বিজয় দিবস হোক জাতীয় জীবনে নতুনভাবে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার দিন: প্রধান উপদেষ্টা

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, এবারের বিজয় দিবস হোক জাতীয় জীবনে নতুনভাবে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার দিন। মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে জনগণের প্রকৃত ক্ষমতায়ন এবং গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথে যে নতুন যাত্রা শুরু হয়েছে, তা রক্ষা করার অঙ্গীকার করার দিন ১৬ ডিসেম্বর।

১৬ ডিসেম্বর, ‘মহান বিজয় দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের পর এই দিনে আমরা পাই স্বাধীনতার স্বাদ। লাখো শহীদের রক্ত আর অসংখ্য ত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি একটি স্বাধীন জাতিসত্তা ও লাল-সবুজের পতাকা।

প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস দেশের এবং বিশ্বের সব বাংলাদেশিকে বিজয়ের উষ্ণ শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, “আমি গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করি তাদের, যারা মুক্তিযুদ্ধসহ স্বাধীনতার জন্য আত্মত্যাগ করেছেন। তাদের আত্মদান আমাদের অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর প্রেরণা ও সাহস জোগায়।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের মধ্য দিয়ে উদিত স্বাধীনতার সূর্যকে বিগত বছরগুলোতে স্বৈরাচার ও দমনমূলক শাসন ম্লান করেছে। কিন্তু জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আমরা আবারও একটি দুর্নীতি-মুক্ত, স্বচ্ছ ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলার সুযোগ পেয়েছি। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বিস্তৃত সংস্কার কর্মসূচি গ্রহণ করেছে এবং দেশের সর্বস্তরের জনগণের অংশগ্রহণে সেই কর্মযজ্ঞের সফল বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে।

প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস আশা প্রকাশ করেন, আগামী বাংলাদেশের জন্য স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থার সমূলে উৎপাত হবে, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে এবং সব ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জনমুখী উন্নয়ন নিশ্চিত হবে।

তিনি সমাপনী বার্তায় বলেন, চলুন বহু কষ্টে অর্জিত স্বাধীনতাকে পূর্ণতা দিই এবং নতুন প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ, সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলি। ধর্ম, বর্ণ বা গোষ্ঠী নির্বিশেষে সবাই মিলে শান্তি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাই।

সংবাদটি শেয়ার করুন