সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা ডা. মুরাদ হাসানকে আদালতে হাজির করতে জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন জামালপুরের সরিষাবাড়ী আমলি আদালত।
তথ্য প্রতিমন্ত্রী থাকাকালীন একটি ইউটিউব চ্যানেল ও ফেসবুক পেজে প্রচারিত টক-শোতে ডা. মুরাদ হাসান সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং তার মেয়ে জাইমা রহমানকে নিয়ে অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেন। এসব বক্তব্যে জিয়া পরিবারের সম্মানহানি হয়েছে এবং অসৎ উদ্দেশ্যে মিথ্যাচার করে দেশের ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ন করা হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।
এই ঘটনায় জামালপুর জেলা ট্রাক মালিক সমিতির সহসভাপতি ও সাবেক ছাত্রদল নেতা লায়ন রুমেল সরকার বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ডা. মুরাদ হাসানের পাশাপাশি টক-শোর উপস্থাপক চট্টগ্রামের পটিয়া পৌর এলাকার বাসিন্দা এটিএম আবুল কাশেমের ছেলে মহিউদ্দিন হেলাল নাহিদকেও আসামি করা হয়েছে।
বাদীপক্ষের আইনজীবী মনিরুজ্জামান জানান, চলতি বছরের ২৪ মে সরিষাবাড়ী আমলি আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রুকসানা পারভীন মামলাটি আমলে নিয়ে দুই আসামির বিরুদ্ধে সমন জারি করেন। সমন জারির পরও তারা আদালতে হাজির না হওয়ায়
সোমবার দুপুরে মামলার শুনানিতে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রোমানা আক্তার আসামিদের আদালতে হাজির হওয়ার জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন।
বিজ্ঞপ্তির পরও আসামিরা হাজির না হলে তাদের অনুপস্থিতিতেই মামলার বিচার কার্যক্রম চালানোর আইনগত সুযোগ রয়েছে বলে আইনজীবী জানান।




