জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও জনতা পার্টি বাংলাদেশের মহাসচিব শওকত মাহমুদের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। রমনা মডেল থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় এ রায় দেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ফাহমিদা খন্দকার আন্না শুনানি শেষে রিমান্ড আদেশ দেন।
মামলার প্রেক্ষাপটে জানা গেছে, গত ৭ ডিসেম্বর মালিবাগের নিজ বাসার সামনে থেকে শওকত মাহমুদকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তাকে গ্রেফতার দেখানো হয় সরকারের উৎখাতের ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগে দায়ের করা মামলায়। মামলাটিতে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক এনায়েত করিম চৌধুরীও গ্রেফতার হয়েছেন।
পরদিন দুপুর আড়াইটার দিকে ডিবি পুলিশ একটি মাইক্রোবাসে শওকত মাহমুদকে ঢাকার সিএমএম আদালতে হাজির করে। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের রমনা জোনাল টিমের পরিদর্শক আখতার মোর্শেদ ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। আদালত বৃহস্পতিবার তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, শওকত মাহমুদসহ আরও অজ্ঞাত আসামিরা এনায়েত করিম চৌধুরীর সঙ্গে যোগসাজশে দেশের অখণ্ডতা, সংহতি, জননিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করার জন্য জনসাধারণের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছেন। তারা বর্তমান সরকার উৎখাতের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ী মহলের সঙ্গে গোপনে সভা ও পরামর্শ করেছেন।
শওকত মাহমুদ এছাড়া অন্য আসামিদের সঙ্গে মিলিত হয়ে একটি প্রভাবশালী রাষ্ট্রের পক্ষে বাংলাদেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে চেষ্টা করেছেন। এজন্য তাকে কোন কোন দল বা সংগঠনের সঙ্গে গোপনে পরামর্শ করেছে তা উদঘাটন করতে আদালত রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছে।




