ঢাকা | বৃহস্পতিবার
২৯শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,
১৫ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তফসিল ঘোষণার পর জনসমাবেশ ও আন্দোলন এড়াতে আহ্বান

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই করা হবে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সকলকে অনুরোধ জানিয়েছে, তফসিল ঘোষণার পর থেকে যে কোনো ধরনের অনুমোদনবিহীন জনসমাবেশ বা আন্দোলন থেকে বিরত থাকুন।

মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার জ্যেষ্ঠ সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

বৈঠকের বরাত দিয়ে তিনি জানান, আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনের পরিবেশ যেন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য এবং উৎসবমুখর হয়—এটাই সরকারের মূল লক্ষ্য। সুন্দর নির্বাচনের আয়োজন নিশ্চিত করতে সরকার ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি সম্পন্ন করছে।

নির্বাচনি তফসিল ঘোষণার পর সশস্ত্র বাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত সব বাহিনী নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখার দায়িত্বে থাকবে। দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা মজবুত করতে প্রায় নয় লাখ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সদস্য মোতায়েন থাকবে, যা এই পর্যন্ত সর্বোচ্চ। এছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনার জন্য ইতিমধ্যেই দেড় লাখ পুলিশ সদস্যকে নির্বাচনি প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

তফসিল ঘোষণার পর থেকে যে কোনো বেআইনি বা অনুমোদনহীন জনসমাবেশ, মিছিল, অবস্থান ধর্মঘট ও জনদূর্ভোগ সৃষ্টি করা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। আইনভঙ্গকারী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, “আমরা জানি অনেকের ন্যায্য দাবি-দাওয়া আছে। গত দুই বছরে অন্তর্বর্তী সরকারকে প্রায় দুই হাজার আন্দোলন-বিক্ষোভের মাধ্যমে দাবি উপস্থাপন করা হয়েছে। সরকার সবসময় ন্যায্য দাবিতে সাড়া দিয়েছে এবং আলোচনা করে সমাধানে পৌঁছানোর চেষ্টা করেছে। তবে বর্তমানে নির্বাচনমুখী সময় চলছে। তাই সবার অনুরোধ, চলমান সময়ে কোনো উত্তেজনা বা স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্নের চেষ্টা করবেন না। পরবর্তী সরকারের কাছে সব দাবি-দাওয়া উপস্থাপন করা সম্ভব।”

সংবাদটি শেয়ার করুন