আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মনোনয়নপত্র জমা দিতে আগ্রহী প্রার্থীদের ঋণখেলাপি সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ ও নির্ভুল তথ্য দ্রুত প্রস্তুত করার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সম্ভাব্য প্রার্থী–ঋণগ্রহীতাদের জাতীয় পরিচয়পত্র, টিআইএন নম্বরসহ প্রয়োজনীয় পরিচিতিমূলক তথ্য এখনই হালনাগাদ করারও তাগিদ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনকালীন সময়ে ঋণতথ্য ভাণ্ডারকে আরও নির্ভরযোগ্য, সঠিক ও মানসম্মত করতে ব্যাংকগুলোকে আগাম সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের জারি করা চার নির্দেশনার মধ্যে প্রথমেই রয়েছে—ঋণ শ্রেণীকরণ নীতিমালা এবং পরিদর্শন নির্দেশনা অনুযায়ী সঠিক শ্রেণিমানে সব তথ্য রিপোর্ট করার বাধ্যবাধকতা। পাশাপাশি নিশ্চিত করতে হবে যে ব্যাংকগুলোর কোনো ঋণ সিআইবি ডেটাবেজে ‘আনরিপোর্টেড’ বা গোপন অবস্থায় না থাকে।
দ্বিতীয় নির্দেশনায় বলা হয়, ক্রেডিট কার্ডের নন-ট্রানজেকশনাল ফি বকেয়া থাকলেও তা গ্রাহককে খেলাপি ঘোষণার ভিত্তি হতে পারবে না। যদি কেবল এসব ফি অপরিশোধিত থাকার কারণে কোনো ক্রেডিট কার্ডধারী সিআইবিতে খেলাপি অবস্থায় থাকে, তবে সেই শ্রেণিমান সংশোধনের পদক্ষেপ নিতে হবে।
তৃতীয় নির্দেশনায় জরুরি ভিত্তিতে সিআইবি ডেটাবেজে ঋণগ্রহীতা ও তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের তথ্য হালনাগাদ করার কথা বলা হয়েছে। সব ধরনের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সঠিক তথ্যও ডেটাবেজে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
চতুর্থ নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়, খেলাপি ঋণসংক্রান্ত কারণে হাইকোর্টে দায়ের করা সিআইবি–সংশ্লিষ্ট মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং আইনজীবী নিয়োগ করতে হবে। যেসব মামলা ইতোমধ্যে খারিজ হয়েছে বা মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে, সেসব বিষয়ে দ্রুত সিআইবিকে অবহিত করার কথাও বলা হয়েছে।




