নির্মল বায়ু ও পরিষ্কার ক্যাম্পাস বিনির্মাণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অভিনব কর্মসূচি পালিত হয়েছে। গাছ থেকে যেসব পাতা ঝরে পড়ে সেগুলো পোড়ানো বন্ধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
সোমবার (৮ ডিসেম্বর) সকাল এগারোটায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ র্য্যালি অনুষ্ঠিত হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবরিকালচার সেন্টার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (ডাকসু), এস্টেস অফিস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবেশ সংসদ, বাংলাদেশ সোসাইটি ফর ইকোলোজিক্যাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট ও গ্রিন ফিউচার ফাউন্ডেশন যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
আরবরিকালচার সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ জসীম উদ্দিনের সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক আব্দুস সালাম, প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমদ, এস্টেট ম্যানেজার ফাতেমা বিনতে মুস্তাফা প্রমুখ। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ, অনুষদ ও আবাসিক হলের দায়িত্বে থাকা বাগান মালিরা অংশগ্রহণ করেন।
প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পাতা পোড়ানো বন্ধে যারা জড়িত আছেন তাদেরকে সচেতন হতে হবে। ওনাদের দেখাশোনার দায়িত্বে যারা আছেন তাদেরকেও সচেতন হতে হবে। এই কাজ বন্ধে আগ্রহ সৃষ্টির লক্ষ্যে আমরা পুরষ্কার পদ্ধতি রাখতে পারি।
অধ্যাপক আব্দুস সালাম বলেন, গত বছরও আমরা এই অনুষ্ঠান করেছিলাম। আমরা পুরোপুরি সফল হইনি। শহীদ মিনারে অনেক পাতা পোড়ানো হয়; এটা বন্ধ করার আহ্বান জানান তিনি।
অধ্যাপক আব্দুস সালাম বলেন, ঢাবিতে মানুষ যে যা পারে এখানে ফেলে যায়। যেখানে ময়লা পড়ে থাকে। কোনভাবেই খোলামেলা আগুন পোড়ানো যাবে না। আমরা একটি ছোট গর্ত করে এগুলো ম্যানেজ করতে পারি। এতে করে বিশ্ববিদ্যালয় দূষণ থেকে বেঁচে যাবে। যেখানেই পাতা পোড়ানো হবে তাকে শাস্তির আওতায় আনার কথা উল্লেখ করেন প্রক্টর সাইফুদ্দিন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান বলেন, পরিবেশকে পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে আমাদের সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। আজকের ক্যাম্পাস ছয় মাস আগের থেকে অনেকটাই আমরা ঠিক করার চেষ্টা করছি। আমাদের নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যে আমরা বিভিন্ন পরিবেশ বিষয়ক কাজ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আগামীতেও এই কাজ অব্যাহত থাকবে। এক্ষেত্রে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান।




