লিওনেল মেসি আবারও দেখালেন কেন ফুটবলের ইতিহাসে তিনি সর্বকালের সেরাদের সেরা। ভ্যানকুভার হোয়াইটক্যাপসকে ৩–১ ব্যবধানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো এমএলএস কাপ জয়ের স্বাদ পেয়েছে ইন্টার মায়ামি। ফ্লোরিডার চেজ স্টেডিয়ামে আর্জেন্টাইন সুপারস্টারের দুর্দান্ত নৈপুণ্যই এনে দিয়েছে এই বহু প্রতীক্ষিত ট্রফি।
পিএসজি থেকে ফ্লোরিডায় যোগ দেওয়ার পর মাত্র আড়াই বছরেই মেসি দলটিকে তলানি থেকে শিরোপার শিখরে তুলেছেন যা তার উপস্থিতির প্রভাবই ফুটিয়ে তোলে। বিশ্বকাপজয়ী এই তারকার হয়তো ক্যারিয়ারে ট্রফির অভাব নেই, তবুও নতুন অধ্যায়ে তিনি লিখলেন আরেকটি অসাধারণ সাফল্যের গল্প।
দ্রুত লিড, তারপর ম্যাচে উত্তেজনার বাঁক
ম্যাচের একেবারে শুরুতেই আক্রমণাত্মক মায়ামি নবম মিনিটে লিড নেয়। এডিয়ের ওকাম্পোর আত্মঘাতী গোল ভ্যানকুভারকে শুরুতেই পিছিয়ে দেয়। তবে দ্বিতীয়ার্ধের ৬২ মিনিটে আলী আহমেদের গোল ভ্যানকুভারকে ম্যাচে ফেরায়।
সমতা ফেরার পর এমানুয়েল সাব্বির শক্তিশালী শট দুই পোস্টে লেগে ফিরে আসে এটিই হয়ে ওঠে ম্যাচের মোড় ঘোরানো মুহূর্ত। এরপরই খেলায় গতি আনে মায়ামি এবং নিয়ন্ত্রণ ফিরে পায় দলটির সেরা অস্ত্র মেসি।
মেসির ম্যাজিক ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ বদলে দিল
১–১ অবস্থায় ম্যাচে যখন উত্তেজনা চরমে, ঠিক তখনই সামনে আসেন মেসি। ৭০ মিনিটে মাঝমাঠে বল কাড়ার পর তিনি দারুণ নিখুঁত পাস বাড়ান রদ্রিগো ডি পলের দিকে। ডি পল দ্রুতগতিতে এগিয়ে গিয়ে গোলরক্ষককে পরাস্ত করে বল জালে পাঠান। গোলের পর তার মেসিকে জড়িয়ে ধরার দৃশ্যই বলে দেয় এই দলের হৃদয় কোথায়।
ম্যাচের শেষ মুহূর্তে, ইনজুরি সময়ের ৯৪তম মিনিটে, আবারও মেসির পাস থেকে আসে দলের তৃতীয় গোল। ট্যাডেও আলেন্দে সুযোগ কাজে লাগিয়ে স্কোরলাইন ৩–১ করেন এবং নিশ্চিত করেন ইন্টার মায়ামির ইতিহাস গড়া জয়।




