ঢাকা | বৃহস্পতিবার
২৯শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,
১৫ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত চিকিৎসকদের হাতে’

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসা নেওয়ার বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। মেডিকেল বোর্ড তার শারীরিক অবস্থাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে, এবং চিকিৎসকরা যখন নিশ্চিত করবেন যে তাকে নিরাপদে বিদেশে নেওয়া সম্ভব, তখনই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

শনিবার (৬ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এসব তথ্য জানান।

ডা. জাহিদ বলেন, দেশনেত্রীর চিকিৎসায় কোনো ধরনের কমতি রাখা হবে না। তিনি বলেন, “এয়ার অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত আছে। তবে তার শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে বিদেশে নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানানো হবে।”

গত ২৩ নভেম্বর থেকে খালেদা জিয়া এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বিদেশে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হলেও কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। ডা. জাহিদ জানান, বিলম্বের প্রধান কারণ হলো কাতারের আমিরের উদ্যোগে পাঠানো এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের কারিগরি ত্রুটি এবং মেডিকেল বোর্ডের জরুরি সিদ্ধান্ত যে উনাকে ফ্লাই করানো সেই মুহূর্তে নিরাপদ নয়।

তিনি আরও বলেন, বিদেশে নেওয়ার সময় নির্ধারণে তার শারীরিক অবস্থা মূল নির্দেশিকা হিসেবে কাজ করবে। দেশি ও আন্তর্জাতিকভাবে বহু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তার স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ করছেন। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যুক্ত রয়েছেন লন্ডনের জন পেট্রিক কেনেডি, জেনিফার ক্রস, প্রফেসর গোলস্টন, প্রফেসর ডক্টর রিচার্ড, শাকিল ফরিদ, প্রফেসর গার্বি এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রফেসর হাবিবুর রহমান লুলু, প্রফেসর ডক্টর জন হ্যাবিল্টন, প্রফেসর ডক্টর হামিদরাও, প্রফেসর ডক্টর রফিকউদ্দিন আহমেদ, প্রফেসর ডক্টর জর্জিস।

ডা. জাহিদ অনুরোধ করেন, “দেশনেত্রীর স্বাস্থ্য নিয়ে গুজব ছড়ানো থেকে বিরত থাকুন। শুধুমাত্র সঠিক তথ্য প্রচার করা উচিত।”

তিনি জানান, কাতার সরকার এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সর্বোচ্চ সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছে। তবে বিদেশে নেওয়ার আগে চিকিৎসকরা নিশ্চিত করবেন যে দীর্ঘ ১২-১৪ ঘণ্টার এয়ারফ্লাইটের সময় উচ্চ উচ্চতার প্রভাব তার জন্য নিরাপদ।

ডা. জাহিদ আশা প্রকাশ করে বলেন, “আল্লাহর রহমত ও সকলের দোয়ায় বেগম খালেদা জিয়া সুস্থ হবেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন