ঢাকা | শুক্রবার
৩০শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,
১৬ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘নির্বাচন বানচাল করতে কুচক্রী মহল ১/১১ ঘটানোর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত’

গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান অভিযোগ করে বলেছেন, একটি কুচক্রী মহল দেশে আবারও ১/১১ এর মতো পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করছে। তাদের লক্ষ্য আসন্ন জাতীয় নির্বাচন বানচাল করা। তিনি পরিষ্কারভাবে বলেছেন, আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কোনোভাবেই থামানো যাবে না।

ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুর মানদিয়া বাজারে এক পথসভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতায় তিনি এসব অভিযোগ উত্থাপন করেন।

রাশেদ খান বলেন, মামলা করে কিংবা ভিন্ন কোনো উপায়ে নির্বাচন স্থগিত করতে কাউকে দেওয়া হবে না। ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন হবে। আমরা আশা করি, সরকার নির্বাচনের সার্বিক পরিবেশ নিশ্চিত করবে।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলমের ‘জাতীয় পার্টি নির্বাচন করবে কি না, তা তাদের বিষয়’ এই মন্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া দেখান রাশেদ খান। তিনি বলেন, আমরা ওই ধরনের বক্তব্য নিন্দা জানাই। আপনারা অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্বে আছেন, কিন্তু জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করছেন না। ফ্যাসিবাদের দোসরদের প্রতি নমনীয়তা দেখাচ্ছেন। জনগণ এসব অবস্থান মেনে নেবে না।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের উদ্দেশে রাশেদ খান বলেন, ট্রাইব্যুনাল আওয়ামী লীগের বিচার শুরু করেছে। কিন্তু জাতীয় পার্টির বিচার কেন হয়নি? আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি এবং ১৪ দলের নেতাদের বিচার হতে হবে। যারা অন্যায় করেছে, তাদের দলের পরিচয় দেখে ছাড় দেওয়া যাবে না।

তিনি আরও যোগ করেন, আওয়ামী লীগের যেসব পদধারী নেতা ২০২৪ সালের ডামি নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন, আগামী নির্বাচনে তাদের কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না।

নির্বাচনী জোট নিয়ে তিনি জানান, গণঅধিকার পরিষদ ইতোমধ্যে ২০০ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। আমি নিজেও ঝিনাইদহ-২ আসনে প্রচারণা চালাচ্ছি। বিএনপির সঙ্গে ২০২২ সাল থেকে যুগপৎ আন্দোলন করেছি, আলোচনা চলছে। ফ্যাসিবাদবিরোধী অন্যান্য রাজনৈতিক শক্তির সঙ্গেও আলাপ চলছে। তফসিল ঘোষণার পর জোট নিয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়া হবে।

মানদিয়া বাজারে আয়োজিত পথসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন রাশেদ খান। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন- জেলা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক জাহিদ ইকবাল রাজন, যুব অধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক মিশন আলী, পেশাজীবী অধিকার পরিষদের সভাপতি রাসের আহমেদ।

সংবাদটি শেয়ার করুন