ভারতে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ষড়যন্ত্র, সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা এবং ভুয়া ভারতীয় নথিপত্র রাখার অভিযোগে পাঁচ বাংলাদেশিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে কলকাতার একটি আদালত। বুধবার এই রায় ঘোষণা করা হয়। প্রমাণের অভাবে আবদুল কালাম নামের এক অভিযুক্তকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
এসব ব্যক্তিকে নয় বছর আগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, খবর দিয়েছে টাইমস ইন্ডিয়া।
দণ্ডপ্রাপ্ত ও খালাসপ্রাপ্তরা
জাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচজন হলেন: আনোয়ার হোসেন ফারুক, মো. রুবেল, মাওলানা ইউসুফ শেখ, মো. শহিদুল ইসলাম, জাবিরুল ইসলাম।
আবদুল কালামকে প্রমাণের অভাবে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
গ্রেপ্তারের পটভূমি
নয় বছর আগে, কলকাতা পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে। মামলার সূত্রপাত হয়েছিল ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে।
এসটিএফ জানিয়েছে, তারা উত্তর ২৪ পরগনা, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছিল। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তারা বাংলাদেশভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন জেএমবির (JMB) সদস্য এবং ভারতের পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে বোমা হামলার পরিকল্পনা করছিল।
গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের কাছ থেকে পাওয়া যায়:
ভুয়া ভারতীয় নথি
বিস্ফোরক তৈরির উপকরণ
যোগাযোগ রেকর্ড
আদালতের রায়
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ার পর আদালত পাঁচজনকে দোষী সাব্যস্ত করে জীবনভর কারাদণ্ড দেয়। মামলা চলাকালীন সময়ে আদালতে অভিযুক্তরা নিজেদের দোষ স্বীকার করেছেন।
এসটিএফ ও স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা বলেছে, এই রায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড রোধে গুরুত্বপূর্ণ precedent স্থাপন করবে।




