ঢাকা | শুক্রবার
৩০শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,
১৬ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঢামেকে চার ঘণ্টার কর্মবিরতি: ভোগান্তিতে রোগীরা

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ১১তম গ্রেড থেকে ১০ম গ্রেডে উন্নীতকরণের দাবিতে টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা চার ঘণ্টার কর্মবিরতি পালন করেছেন। এই কর্মসূচির কারণে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগীরা চরম ভোগান্তির মুখে পড়েন।

বুধবার (৩ ডিসেম্বর) সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত হাসপাতালের বহির্বিভাগে এ কর্মবিরতি কার্যকর থাকে।

এই সময় জরুরি বিভাগের এক্স-রে ও সিটি স্ক্যান সেবা সীমিতভাবে চালানো হলেও বহির্বিভাগের রেডিওলজি ইউনিট সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল। একইসঙ্গে রোগীদের বিনামূল্যে ওষুধ সরবরাহকারী মেডিসিন স্টোরের গেটও বন্ধ রাখা হয়।

বাংলাদেশ মেডিকেল টেকনোলজিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি খাজা মঈন উদ্দিন মঞ্জু জানান, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের ফাইল বর্তমানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে প্রক্রিয়াধীন। বিষয়টি সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ধারাবাহিকভাবে উপস্থাপন করা হলেও বাস্তবায়ন হয়নি। তিনি অভিযোগ করেন নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে আন্দোলন, আনুষ্ঠানিক চিঠিপত্র ও সব প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়া সত্ত্বেও মন্ত্রণালয়ের আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, বিলম্ব ও সদিচ্ছার অভাব সমস্যাটিকে দীর্ঘায়িত করছে।

বাংলাদেশ ফার্মাসিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব সিকদার মো. জসিম বলেন, দেশের সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, সংসদ সচিবালয় মেডিকেল সেন্টার, সচিবালয় ক্লিনিক, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের মেডিকেল সেন্টার, বঙ্গভবন মেডিকেল সেন্টার, স্বাস্থ্যশিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা বহুদিন ধরে বৈষম্যের শিকার। তিনি আরও জানান ডিপ্লোমা প্রকৌশলী, নার্স ও কৃষিবিদরা ইতোমধ্যে ১১তম গ্রেড থেকে ১০ম গ্রেডে উন্নীত হলেও ডিপ্লোমা মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের ন্যায্য দাবি আজও পূরণ হয়নি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

তিনি বলেন, দাবি আদায়ে আমরা গত ৩০ নভেম্বর দুই ঘণ্টার কর্মবিরতি পালন করি। আজ চার ঘণ্টার অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন করেছি। দাবি আদায় না হলে বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) পূর্ণদিবস ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন