ছাত্র-জনতার উত্তাল আন্দোলন ও গণঅভ্যুত্থানে গত বছরের আগস্টের শুরুতে শেখ হাসিনার স্বৈরাচারী সরকারের পতন হয়। নতুন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশিদের জন্য ভারতীয় ভিসা বন্ধ করে দেয় নয়াদিল্লি সরকার। পরে স্বল্প পরিসরে জরুরি চিকিৎসাসেবাসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভিসা দেয়া শুরু করে দেশটি। তবে এখনো ভ্রমণ ভিসা ইস্যু করছে না ভারত। এর মধ্যেই ভিসা প্রক্রিয়াকরণের খরচ প্রায় দ্বিগুণ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
ইন্ডিয়ান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টারের (আইভিএসি) ওয়েবসাইটে দেয়া বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ভিসার আবেদন প্রক্রিয়ার জন্য প্রক্রিয়াকরণ ফি (সার্ভিস চার্জ) ৮২৪ টাকা থেকে একধাপে বাড়িয়ে ১ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। চলতি মাসের ১০ তারিখ থেকে নতুন এই ফি কার্যকর হবে।
এ বিষয়ে ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনের এক কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে জানান, বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভিসা ফি ‘গ্র্যাটিস’ অর্থাৎ কোনো সরকারি ফি নেয়া হয় না। শুধু সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান (আইভিএসি) নিজ খরচে সেবা পরিচালনা করে, তাই খরচের সঙ্গে ব্যালেন্স করতে সংস্থাটি ভিসা প্রক্রিয়াকরণ ফি বাড়িয়েছে।
ভারতীয় ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, সেবার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় এই ফি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ২০১৮ সালের পর এবারই প্রথম সার্ভিস চার্জ বাড়ানো হলো।
বর্তমানে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট ও খুলনার ভিসা সেন্টারে শুধু জরুরি চিকিৎসা, শিক্ষার্থী ও কর্মীদের জন্য (যারা ভারত হয়ে তৃতীয় দেশে যাবেন) সীমিত অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট খোলা রয়েছে। তবে এ ধরনের ভ্রমণের জন্য সংশ্লিষ্ট বিদেশি দূতাবাসে পূর্বনির্ধারিত অ্যাপয়েন্টমেন্ট থাকা আবশ্যক।




