রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজ ছাত্রদলের সদস্যসচিব এমদাদুল হক লিমন ও রাজশাহী জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মোজাদ্দেদ জামানী সুমন সহ ৫৬ জনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বুধবার (২৩ জুলাই) দিবাগত রাতে গ্রিন প্লাজা রিয়েল এস্টেট লিমিটেড নামক আবাসন প্রতিষ্ঠানের মালিক মোস্তাফিজুর রহমান বাদী হয়ে বোয়ালিয়া মডেল থানায় এই মামলাটি করেন। মামলায় ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলার এজাহারে ৩৬ জনের নাম সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং আরও ১৮ থেকে ২০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্তরা তবে, এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ছাত্রদল নেতা এমদাদুল হক লিমন। তিনি জানান, যুবদল নেতা সুমনের আত্মীয় আমিনুল ইসলাম আবাসন ব্যবসায়ী মোস্তাফিজের কাছে ২৭ লাখ টাকা পাওনা আছেন। এই টাকা পরিশোধ না করায় বিষয়টি মীমাংসার জন্য তারা বোয়ালিয়া থানায় বসেছিলেন।
লিমনের দাবি, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজেই বিষয়টি মীমাংসা করে দিয়েছেন এবং সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, মোস্তাফিজ টাকা দিতে না পারলে একটি ফ্ল্যাট দেবেন। লিমন মনে করেন, এটি একটি ষড়যন্ত্রমূলক মামলা।
যুবদল নেতা সুমনও চাঁদা দাবির অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। সামিদের পাল্টা অভিযোগ ছাত্রদল নেতা লিমন ও যুবদল নেতা সুমনের দাবি, আবাসন ব্যবসায়ী মোস্তাফিজুর রহমান স্বৈরাচারের দোসর।
তারা অভিযোগ করেন, মোস্তাফিজুর রহমান বেছে বেছে বিএনপি নেতাকর্মীদের নাম উল্লেখ করে মামলা করেছেন। তাদের মতে, মোস্তাফিজুর রহমান আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সাবেক সিটি মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন এবং তার স্ত্রী শাহীন আক্তার রেণীর ঘনিষ্ঠ হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিতেন। এছাড়া, মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে ফ্ল্যাট বিক্রির নামে প্রতারণার অভিযোগও রয়েছে বলে তারা দাবি করেন।




