রাজধানীর মতিঝিল থেকে কমলাপুর অংশে মেট্রোরেল সম্প্রসারণে খরচ কমল। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দর কষাকষিতে কমানো হয়েছে ১৮৬ কোটি টাকা। প্রকল্পের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান, রেললাইন, বিদ্যুৎ লাইন ও সংকেত ব্যবস্থায় খরচ সমন্বয় করা হয়েছে। সব ঠিক থাকলে আগামী বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে এ অংশ চালু হতে পারে।
মেট্রোরেলের মতিঝিল থেকে কমলাপুর অংশে রয়েছে ১ দশমিক এক ছয় কিলোমিটার। উড়ালপথ ও স্টেশন নির্মাণের কাজ করছে ইতালি-থাই ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি। এখন পর্যন্ত কাজ হয়েছে অর্ধেকের বেশি। আর রেললাইন, বিদ্যুৎ লাইন ও সংকেত ব্যবস্থার কাজ করেছে জাপান ও ভারতের দুটি প্রতিষ্ঠান।
সম্প্রসারিত অংশের খরচ চাওয়া হয় ৬৫১ কোটি টাকা। কিন্তু খরচ কমাতে প্রয়োজনে উন্মুক্ত দরপত্রের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। দীর্ঘ দর কষাকষির পর খরচ দাঁড়িয়েছে ৪৬৫ কোটি টাকা।
ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারুক আহমেদ বলেন, ‘তারা যে অফার দিয়েছিল, নেগোসিয়েশনের মাধ্যমে খরচটা কমানো হয়েছে, যে খরচ এখন, তা আগের চেয়ে ৩০ শতাংশ কম।’
বিশেষজ্ঞদের মন্তব্য, যেকোনো প্রকল্পে বাড়তি খরচ করা, এত দিন নিয়মে পরিণত হয়েছিল। এবার তার ব্যতিক্রম হলো। ভবিষ্যতে আরও পর্যালোচনার তাগিদ তাদের।
যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ ড. এম শামসুল হক বলেন, ‘একটু সতর্কবার্তা দিতে হবে যে, যা ইচ্ছা তা করা যাবে না। জনগণের টাকায় যখন উন্নয়ন হয়, এটা যেন সাশ্রয়ী মূল্যে হয়, টেকসই হয়। যাদের কাজ করার কথা তারাই যেন কাজ করে, এলোমেলো যেন না হয়।’
মেট্রোরেলের এমআরটি সিক্স লাইন উত্তরা থেকে কমলাপুরে মিশবে। একইসঙ্গে লাইন ১ রুটের একটি অংশ বিমানবন্দর থেকে কমলাপুরে শেষ হবে।




