যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্ক ইস্যুতে একক আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশ আশাব্যঞ্জক ফল পাবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
মঙ্গলবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা পরিষদ এবং সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের পৃথক দুটি বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আজ (৮ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রে ইউএসটিআরের (যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য প্রতিনিধি) সঙ্গে যেটি বৈঠক হচ্ছে, তার ফলাফলের পরেই বিস্তারিত জানা যাবে। আশা করছি, ইতিবাচক অগ্রগতি হবে।
৩৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের সম্ভাবনা প্রসঙ্গে অর্থ উপদেষ্টা জানান, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প শুল্ক সংক্রান্ত বিষয়ে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন। তবে সিদ্ধান্ত হবে ইউএসটিআরের সঙ্গে সরাসরি একক বৈঠকের মাধ্যমে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বাণিজ্য উপদেষ্টার নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল ইতোমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছে। বাণিজ্য সচিবও আজ সেখানে যাচ্ছেন যা-ই ঘটুক না কেন, আমরা পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে ভবিষ্যৎ কৌশল ঠিক করব। আগের বৈঠক ইতিবাচক ছিল, তাই এবার ভালো ফলের আশা করছি।
ভিয়েতনামের ওপর শুল্ক হ্রাসের উদাহরণ দিয়ে ড. সালেহউদ্দিন বলেন, “বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতি মাত্র ৫ বিলিয়ন ডলার, যেখানে ভিয়েতনামের বাণিজ্য ঘাটতি ১২৫ বিলিয়ন ডলার। তারপরও যুক্তরাষ্ট্র ভিয়েতনামকে ছাড় দিয়েছে। তাই আমরাও আলোচনার মাধ্যমে সঠিক ফল পেতে চাই।
এনবিআরের (জাতীয় রাজস্ব বোর্ড) কার্যক্রম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রাজস্ব আহরণ ছিল সন্তোষজনক। চলতি অর্থবছরে রাজস্ব ব্যবস্থায় সংস্কার আনতে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। “আমাদের রাজস্ব সম্ভাবনা অনেক, কিন্তু সঠিকভাবে তা কাজে লাগানো হচ্ছে ন।
গত মাসে খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি কমেছে, যা বড় সাফল্য উল্লেখ করে ড. সালেহউদ্দিন বলেন আশা করছি, সামনে সামগ্রিক মুদ্রাস্ফীতিও কমবে।




