- ডুবেছে ফসল-ঘরবাড়ি
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে ভারি বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে ধরলা ও বারোমাসিয়া নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। গতকাল শুক্রবার সকাল ৯ টায় ধরলা নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করেছে। এ নদীর পানি বিপদসীমার ৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া ব্যাপক পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নদ- নদীর চরাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এরই মধ্যে চরাঞ্চলের বাড়িঘরে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। এসব এলাকার ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে।
শুক্রবার দুপুরে উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের বালাতাড়ি ও কৃষ্ণানন্দ বকসী এলাকার বারোমাসিয়া নদীর র্তীর ভাঙনে গোরকমন্ডল, কৃষ্ণানন্দ বকসি ও বালাতাড়ি হয়ে বালারহাট যাওয়ার সড়কটির প্রায় ৫০ থেকে ৬০ ফিট কাঁচা সড়ক বারোমাসিয়ায় বিলীন হয়ে যাওয়া তিন গ্রামের হাজার হাজার মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা বিছিন্ন। ভারী বৃষ্টিপাত ও পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় পূর্বফুলমতি ও বালাতাড়ি গ্রামের প্রায় ১০ টি বাড়ীর মানুষ পানি বন্ধী হয়ে পড়েছে।
নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাসেন আলী জানান, বারোমাসিয়া নদীর তীব্র ভাঙ্গনে কৃষ্ণনন্দ বকসি এলাকার যাতায়াতের সড়কটি নদী গর্ভে বিলীন হওয়ায় গোরকমন্ডল, কুষ্ণানন্দ বকসি ও বালাতাড়ি গ্রামের যাতায়াত বন্ধ হয়েছে। ঐ সড়কে যান চলাচল বন্ধ হওয়ায বারোমাসিয়া নদীর ঝুকিপূর্ণ ব্রিজটিতে চাপ বাড়ছে। আমরা ঝূকিপূর্ণ ব্রিজ দিয়ে ভারী যানবাহন করা যাবে না। তাই ব্রিজের দুই পাশে লাল নিশান টাংগিয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও বিষয়টি গুরুত্বসহকারে সংশ্লিষ্ট উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এ প্রসঙ্গে কুড়িগ্রামের পানি উন্নয়ন বর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, উজানে বৃষ্টিপাতের কারণে কুড়িগ্রামের সবকটি নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব নদনদীর অববাহিকায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। আগমী ৪৮ ঘন্টা পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে। সেই সঙ্গে ভাঙ্গন ঠেকাতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যক্রম চলমান আছে।




