চুয়াডাঙ্গায় মাঙ্কিপক্স উপসর্গ সন্দেহে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছে ষাটোর্ধ্ব এক নারী। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে তিনি চিকিৎসা নিতে আসলে চিকিৎসকরা মাঙ্কিপক্সের সন্দেহ করে। ওই নারী চুয়াডাঙ্গা উপজেলার শঙ্করচদ্র ইউনিয়নের ভন্ডরদহ গ্রামের বাসিন্দা। ওই বৃদ্ধার ছেলে জানান, গত মঙ্গলবার হঠাৎ করে তার মায়ের হাতের তালুসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে ফোস্কা উঠতে শুরু করে। পরে তাকে চিকিৎসার জন্য সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। মায়ের শরীরের ফোস্কাগুলো কোনো এক ধরণের পক্সের উপসর্গ হতে পারে বলে জানান চিকিৎসক।
সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ওয়াহিদ মাহমুদ রবিন বলেন, অসুস্থ অবস্থায় ওই বৃদ্ধা হাসপাতালে আসেন। তার হাতের তালু, আঙ্গুল ও শরীরের বিভিন্ন অংশে বড় বড় ফোস্কা রয়েছে। শরীরে জ্বরও ছিল। তার শরীরে মারবেলের মতো এক ধরণের পক্সের উপসর্গ থাকায় বিষয়টি সিভিল সার্জন ও হাসপাতালের তত্বাবধায়ককে জানানো হয়। পরে তাদের পরামর্শে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ওই নারীকে হোম আইসোলেশনে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে সিভিল সার্জন সাজ্জাৎ হাসান বলেন, হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা ওই বৃদ্ধার শরীরে মাঙ্কিপক্স রোগের উপসর্গ আছে কিনা তা এখনই বলা যাবে না। কারণ ওই বৃদ্ধা কখনও বিদেশে ভ্রমণ করেননি। আপাতত তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে রেখে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। বিষয়টি ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনকে জানানো হয়েছে। শুক্রবার তারা এসে ওই বৃদ্ধার শরীরের নমুনা সংগ্রহ করবে। নমুনা পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়ার পর পক্সের ধরণ জানা যাবে।




