শুক্রবার, ১২ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ২৮শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চলনবিলের ৭৫ শতাংশ ধান গোলায়

চলনবিলের ৭৫ শতাংশ ধান গোলায়
  • অনুকূল আবহওয়ায় ফলন ভালো
  • দম ফেলার ফুরসত নেই চাষির

পাকা ধানের গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে চারদিক। মাঠজুড়ে এখন শুধুই সোনালি স্বপ্ন। সময় মতো পাকা ধানগুলো গোলায় তুলতে না পারলে ভেস্তে যেতে পারে সারা বছরের স্বপ্ন। সেই স্বপ্নকেই গোলায় তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন চলনবিলের কৃষাণ-কৃষাণীরা। একাজে সহযোগিতা করছেন স্কুল কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী যুবক যুবতি এমনকি বৃদ্ধরাও।

জানা যায়, নাটোরের গুরুদাসপুর, সিংড়া, বড়াইগ্রাম। সিরাজগঞ্জের তাড়াশ, শাহজাদপুর, উল্লাপাড়া। পাবনার ভাঙ্গুড়া, চাটমোহর, ফরিদপুর। বগুড়ার নন্দীগ্রাম ও নওগাঁর আত্রাই উপজেলা মুলত বর্তমানে চলনবিলের মুল অংশজুড়ে ধানের ফলন ভালো হয়েছে। চলনবিলের মাঠগুলোতে পুরাদমে চলছে ধানকাটা। ধানকাটা ও মাড়াই শেষে কৃষকদের গোলাঘরে উঠতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই ৭৫ শতাংশ ধান ঘরে উঠেছে।

চলনবিলঞ্চলের বিলশা গ্রামের কৃষক ফারুক সরদার জানান, তার ২০ বিঘা জমির বোরো ধান বেশ ভালোই হয়েছে। তিনি ধান ক্ষেতে আগাম কীটনাশক প্রয়োগ করাতে আক্রমণ থেকে বোরো ক্ষেত রক্ষা পেয়েছে। এতে ফলনও ভালো পাচ্ছেন। তবে সময় মতো ধান ঘরে তোলা নিয়ে রয়েছে শঙ্কা। যদিও পরিবারের সবাই একাজে সহযোগিতা করছে।

চলনবিলেন সিংড়া উপজেলার চৌগ্রামের কৃষক পরিতোশ হোড় জানান, এবার হাইব্রিড জাতের বোরো ধান চাষ করেছি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় তার ক্ষেতে বোরো ধানের উৎপাদন ভালো হয়েছে। তিনি ১০ বিঘা জমিতে ২৫০ মণ ধান পাবেন এমনি আশা করছেন। তবে শ্রমিকের মূল্য ৬শ’ থেকে ৭শ’ টাকা চলছে। তার পরেও শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। তাই বাহিরাগত শ্রমিক খুঁজতে হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সফলভাবে ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলা করেছি

নাটোর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মাহমুদুল ফারুক জানান, চলনবিলের নাটোর জেলা অংশে ৬৭০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান উৎপাদন হয়েছে। ফলনও আশানোরুপ হয়েছে। কৃষকরা ধানের ফলনও ভালো পাচ্ছে। ইতোমধ্যেই ৭৫ শতাংশ জমির ধান কাটা সম্পুর্ণ হয়েছে। অবশিষ্ট ধান অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই শেষ হবে। অফিস থেকে মাঠ পর্যায়ে লোক পাঠিয়ে কৃষকদেও খোঁজ খবর রাখার কারনে এবার ধানের ভালো ফলন হয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email

সংবাদটি শেয়ার করুন