ঢাকা | বৃহস্পতিবার
২৯শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,
১৫ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কর্মকর্তা-কর্মচারীর বদলিতে ইসির অনুমতি বাধ্যতামূলক

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে আয়োজনকে কেন্দ্র করে মাঠ প্রশাসনে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) কর্মকর্তা-কর্মচারী বদলি ও ছুটির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী তফসিল ঘোষণার পর থেকে ফলাফল ঘোষণার ১৫ দিন পর পর্যন্ত কোনো কর্মকর্তাকে ইসির সঙ্গে আলোচনা ছাড়া অন্যত্র সরানো যাবে না।

ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের স্বাক্ষরিত একটি চিঠির মাধ্যমে এ নির্দেশনা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে জানানো হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, নির্বাচন ও গণভোট নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন করতে রিটার্নিং কর্মকর্তা, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাসহ বিপুল সংখ্যক মানবসম্পদ প্রয়োজন হবে। এজন্য সকল মন্ত্রণালয়, সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্য থেকে জনবল নিয়োগ করতে হবে।

এছাড়া আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় পর্যাপ্ত সংখ্যক ম্যাজিস্ট্রেট এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনের কথাও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়। সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও)-এর ৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনের কাজে সহায়তা প্রদান সকল নির্বাহী কর্তৃপক্ষের বাধ্যবাধকতা বলে মনে করিয়ে দেয় ইসি।

চিঠিতে আরও বলা হয়, নির্বাচনি কর্মকর্তারা ‘নির্বাচনি কর্মকর্তারা (বিশেষ বিধান) আইন, ১৯৯১’ অনুযায়ী দায়িত্বপ্রাপ্ত হলে নির্বাচনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি না পাওয়া পর্যন্ত তারা তাদের মূল দায়িত্বের পাশাপাশি ইসির অধীনে কর্মরত হিসেবে বিবেচিত হবেন।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ৪৪৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তফসিল ঘোষণার পর থেকে ফলাফল ঘোষণার পরবর্তী ১৫ দিন পর্যন্ত কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে ইসির পূর্বানুমতি ছাড়া বদলি বা ছুটি প্রদান নিষিদ্ধ করার বিষয়টি স্পষ্ট করা হয় চিঠিতে।

ইসি আরও নির্দেশ দেয় যে নির্বাচনে সম্পৃক্ত কর্মকর্তারা যেন আইন ও বিধি মেনে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করেন। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে সব মন্ত্রণালয়/বিভাগ ও প্রতিষ্ঠানকে অনুরোধ জানায় কমিশন।

সংবাদটি শেয়ার করুন