বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজধানী জাকার্তায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন এবং ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেতনো এলপি মারসুদি আলোচনায় নিজ নিজ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন।
আজ সোমবার বৈঠকে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পুরো বিষয়টি পর্যালোচনা করা হয়েছে। এটিকে আরও শক্তিশালী করার জন্য তাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্নবীকরণ করেন উভয় পক্ষই। দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কৃষি, খাদ্য, জ্বালানি, স্বাস্থ্য ও ওষুধ, সংযোগ, আইসিটি, পর্যটন, হালাল বাণিজ্য, মানবসম্পদ উন্নয়ন, প্রতিরক্ষা, যুব ও সাংস্কৃতিক বিনিময় ইত্যাদি ক্ষেত্রে সহযোগিতা ত্বরান্বিত করতে সম্মত হয়েছে দুই দেশ। পাইপলাইনে থাকা সমঝোতা স্মারকগুলো শিগগিরই শেষ হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা। এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার জন্য তারা দ্বিপাক্ষিক পিটিএ সমাপ্ত করার ওপর জোর দেন।
বাংলাদেশে আটকে পড়া মিয়ানমারের নাগরিকদের দ্রুত প্রত্যাবাসনের জন্য ইন্দোনেশিয়া ও আসিয়ানের সক্রিয় সমর্থন চেয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এছাড়া ড. মোমেন আসিয়ানের সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনারশিপের জন্য বাংলাদেশের প্রার্থীতার বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ারও অনুরোধ করেন।
আনুষ্ঠানিক আলোচনা শেষে সংক্ষিপ্ত প্রেস বিবৃতি দেন দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী। অবশেষে, সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপনের আনুষ্ঠানিক লোগো ও ইন্দোনেশিয়ান ভাষায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের অনুবাদও এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী উন্মোচন করেন।
আনন্দবাজার/টি এস পি




