ঢাকা | সোমবার
২রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,
১৯শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিশেষায়িত নয়, চালু হচ্ছে বিসিক শিল্পনগরী

চালু হচ্ছে বিসিক শিল্পনগরী
  • চুয়াডাঙ্গায় ৭৫ বিঘায় কাজ শুরু ২০১৮ সালে
  • গড়ে উঠবে ১০০ কারখানা
  • কর্মসংস্থান ৮-১০ হাজার লোকের

দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সীমান্তবর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গায় অবশেষে গড়ে উঠছে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পনগরী (বিসিক)। উদ্যোক্তাদের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে। বিশেষায়িত না হলেও বিসিক শিল্পনগরী গড়ে উঠলে নতুন শিল্প উদ্যোগের পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

উদ্যোক্তাদের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৮ সালে আগস্টে জেলার ৭৫ বিঘা জমিতে বিসিক শিল্পনগরী গড়ে তুলতে অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজ শুরু হয়। চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ সড়কের ডিঙ্গেদহ এলাকায় জমিও অধিগ্রহণ করা হয়। গত কয়েক বছরে ধীরে ধীরে রূপ পাচ্ছে শিল্পনগরী। এখন উদ্বোধনের জন্য অপেক্ষা। তবে উদ্বোধনের আগেই শিল্প এলাকার প্লটের দাম ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা নিয়ে উদ্বেগ উৎকণ্ঠা দেখা যাচ্ছে ব্যবসায়ীদের মধ্যে।

যদিও কর্তৃপক্ষ বলছে, প্লটের দাম থাকবে ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে আর শিল্পনগরী হবে ব্যবসা বান্ধব। তবে, প্লটের দাম ও গ্যাস-বিদ্যুৎসহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা নিয়ে তেমন সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। নারী উদ্যোক্তাদের জন্যও প্লট বরাদ্দের বিশেষ সুবিধার দাবি জানানো হয়ছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, ‌চুয়াডাঙ্গায় বিসিক শিল্পনগরীতে জমির যে দাম রাখা হয়েছে সেই দামে কারখানা করা খুব কষ্টসাধ্য। তাছাড়া নারী উদ্যোক্তাদের জন্য বিসিকের প্লটগুলো ছোট ছোট আকারে দেয়া উচিত এবং পাশাপাশি নারীদের কর্মসংস্থানের জন্য ব্যাংক থেকে আর্থিক সুবিধা দেয়া উচিত। ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে সহজ শর্তে ঋণ দেয়াসহ শিল্পনগরীর অবকাঠামো উন্নয়নের দাবিও তাদের।

জাতীয় ক্ষুদ্র কুটির শিল্প সমিতি (নাসিব) সভাপতি ওলি উল্লাহ্ বলেন, শিল্প মন্ত্রনালয়ের অধীনে বিসিকের বড় একটা কর্মসূচি হাতে নেয়া প্রয়োজন। যার মাধ্যমে নতুন উদ্যেক্তা তৈরি হবে। যেসব উদ্যেক্তা আছে তারা আরও বড় হবার চেষ্টা করবে। উৎপাদন যত বাড়বে গড় মুনাফা তত বেশি হবে।

বিসিক উপ-ব্যবস্থাপক সামসুজ্জামান বলেন, এখানে ছোট বড় মিলিয়ে একশো শিল্প গড়ে তোলা যাবে। ৮-১০ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হবে। এতে সবাই কমবেশি উপকৃত হবেন।

মূলত, সম্ভাবনা থাকার পরও আজ অবধি চুয়াডাঙ্গা জেলায় বিশেষায়িত কোনো শিল্পাঞ্চল গড়ে উঠেনি। তবে জেলার ব্যবসায়ীরা নিজ উদ্যোগে গড়ে তুলেছেন অর্ধশত শিল্প কারখানা। তবে নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে উদ্যোক্তাদের। তারা বলছেন, শিল্পের উন্নয়নের জন্য বিসিকে নতুন নতুন কর্মসংস্থান গড়ে তোলার পাশাপাশি নতুন উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে হবে।

আনন্দবাজার/শহক

সংবাদটি শেয়ার করুন