শুক্রবার, ১২ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ২৮শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বৃহত্তম সংকোচনে দুই দশকের মধ্যে থাইল্যান্ডের অর্থনীতি

দুই দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে বৃহত্তম ব্যাপক সংকচনের সম্মুখে পড়েছে থাইল্যান্ডের অর্থনীতি। ন্যাশনাল ইকোনমিক অ্যান্ড সোস্যাল ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিল (এনইএসডিসি) জানিয়েছে, এ বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে দেশটির জিডিপির (মোট দেশজ উৎপাদন) সংকোচন হয়েছে ১২ দশমিক ২ শতাংশ। মূলত ১৯৯৮ সালে এশীয় আর্থিক সংকটের পর থাইল্যান্ডের অর্থনীতিতে এটিই সবচেয়ে বড় সংকোচন, যা চলমান মন্দা পরিস্থিতিকে আরও গভীরে ঠেলে দিয়েছে।

সারা বিশ্বের মতোই থাইল্যান্ডেরও এই অর্থনৈতিক সংকটের মূলে রয়েছে মহামারী করোনার প্রভাব। তবে তুলনামূলকভাবে অন্য অনেক দেশের থেকে এখানে করোনায় সংক্রমিত (৩ হাজার ৩০০ জন) ও মৃতের (৫৮ জন) সংখ্যা কম হলেও মারাত্মক মন্দাবস্থা নেমে আসে অর্থনৈতিক কার্যক্রমে। বিশেষ করে সংক্রমণ প্রতিরোধে গৃহীত লকডাউনের মধ্যে ধস নামে বৈদেশিক বাণিজ্য এবং গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন খাতে।

এই ব্যাপারে সিঙ্গাপুরের ওভারসি-চাইনিজ ব্যাংকিং করপোরেশনের অর্থনীতিবিদ হাউই লি জানান, সম্ভব সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি আমরা উতরে গেছি। কিন্তু সেজন্য এখনই নিশ্চিন্ত হওয়ার কোনো কারণ নেই। আমরা মনে করছি, এখান থেকে অর্থনীতির পুনরুদ্ধারের গতি আস্তে আস্তে বৃদ্ধি পাবে। সেই সাথে থাই অর্থনীতিকে সম্মুখীন হতে হবে বহু চ্যালেঞ্জের।

একটি পৃথক ব্রিফিংয়ে গতকাল দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী এবং অর্থনীতির দায়িত্বে থাকা উপপ্রধানমন্ত্রী সুপট্টনাপোং পুনমিচাও জানান, অর্থনীতির পুনরুদ্ধারে মনোযোগ দিতে সরকার একটি কেন্দ্র স্থাপন করবে। এ কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকবে সরকারের বিভিন্ন সংস্থা এবং বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা।

গতকাল সোমবার প্রকাশিত উপাত্ত অনুসারে বোঝা যাচ্ছে যে দ্বিতীয় প্রান্তিকে থাইল্যান্ডের অর্থনেতিক কার্যক্রম আংশিকভাবে বন্ধ ছিল। এছাড়া সীমান্ত বন্ধ ছিল অধিকাংশ বিদেশীর জন্য। মে থেকে আস্তে আস্তে অভ্যন্তীরণ চলাফেরার ওপর থেকে আরোপিত করোনাসংক্রান্ত বিধি-নিষেধ তুলে নিতে শুরু করে সরকার। আর এখন পুনরায় কার্যক্রম চালু করতে পারে দেশটির প্রায় সব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান।

আরও পড়ুনঃ  করোনার চিকিৎসায় রাশিয়ার ৬ ওষুধ আবিষ্কার

আনন্দবাজার/এইচ এস কে

Print Friendly, PDF & Email

সংবাদটি শেয়ার করুন