শনিবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ২৯শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সহায়তায় ডিপিএস এসটিএস স্কুলের একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ

বৈশ্বিক মহামারির প্রতিকূল এ সময়ে ধৈর্য এবং অধ্যবসায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দু’টি বিষয়। এমন সঙ্কটের সময়ে ডিপিএস এসটিএস স্কুল ঢাকা এর শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সহায়তায় স্বপ্রণোদিতভাবে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

এর আগে স্কুল কর্তৃপক্ষ সকল অভিভাবকদের সাথে যোগাযোগ করে জানিয়েছে যে, সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটি শেষ হওয়ার পরে সকল টিউশন ফি পরিশোধ করা যাবে। এছাড়াও, স্কুল কর্তৃপক্ষ অভিভাবকদের জানিয়েছে, ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে কোনো টিউশন ফি বাড়বে না এবং বাৎসরিক টিউশন ফি পরিশোধে কোনো চার্জ ছাড়াই ৪টি কিস্তি বাড়িয়ে ১০টি করা হয়েছে। এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের পরিবহন ফি ফেরত দেয়া হবে।

এর বাইরেও স্কুল কর্তৃপক্ষ অভিভাবকদের জানিয়েছে, স্কুল এর শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সুবিধার্থে দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে অংশীদারিত্বে নানা ধরনের সুযোগ-সুবিধা নিয়ে কাজ করবে। এরই ধারাবাহিকতায়, উদাহরণস্বরূপ, বলা যেতে পারে, মাইডাস ফাইন্যান্সিং লিমিটেড টিউশন ফি পরিশোধে ২৪টি সহজ কিস্তির সুযোগ নিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে। এবং এক্ষেত্রে, অভিভাবকদের সুবিধা বিবেচনায়, স্কুল কর্তৃপক্ষ অভিভাবকদের জন্য পর্যায়ক্রমে এ সুযোগ নিয়ে আসে। অভিভাবকগণ টিউশন ফি পরিশোধে নিজেদের সুবিধা অনুযায়ী স্কুলের দেয়া অতিরিক্ত কোনো চার্জ সংযুক্তি ছাড়া ১০টি কিস্তির সুযোগ গ্রহণ করতে পারেন কিংবা চাইলে ২৪ মাসের সহজ কিস্তি সুযোগও গ্রহণ করতে পারেন।

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সহায়তায় বিনামূল্যে ইন্টারনেট সুবিধাও দিবে স্কুল কর্তৃপক্ষ। অভিভাবকদের জানানো হয়েছে যে, যদি অনলাইন ক্লাস চলমান থাকে, তবে ক্লাস চলাকালীন সময়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের বাসায় বিনামূল্যে ইন্টারনেট সুবিধা দিবে। উল্লেখ্য, কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নেয়া এ ধরনের উদ্যোগ বাংলাদেশে এই প্রথম।
এ নিয়ে দিল্লি পাবলিক স্কুল ঢাকার অধ্যক্ষ মধু ওয়াল বলেন, ‘আমার বিশ্বাস প্রথমবারের মতো কোনো স্কুল স্বপ্রণোদিতভাবে বিস্তৃত পরিসরে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সহায়তায় এ ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। যার মধ্যে রয়েছে অনলাইন ক্লাস চলাকালীন শিক্ষার্থীদের বাসায় বিনামূল্যে ইন্টারনেট সেবা; যা শিক্ষার্থীদের বিশ্বমানসম্পন্ন শিক্ষার অভিজ্ঞতা পেতে সহায়তা করবে। এছাড়াও, স্কুল কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার বিষয়টি অগ্রাধিকার দিয়ে বিবেচনা করে। যে কারণে পুরো ক্যাম্পাস জুড়ে প্রয়োজনীয় সকল সরঞ্জামাদির নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করা হচ্ছে।’

আরও পড়ুনঃ  দ্রুত করোনা সনাক্ত কীট উদ্ভাবনে নোবিপ্রবির দুই শিক্ষক

ডিপিএস এসটিএস স্কুলের শিক্ষকগণ ধারাবাহিকভাবে অনলাইন ক্লাস পরিচালনা করে যাচ্ছেন। এমনকি সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটির সময়েও অনলাইন ক্লাস চলমান ছিলো। এক্ষেত্রেও, এ সঙ্কটকালীন পরিস্থিতিতে, স্কুল কর্তৃপক্ষ শিক্ষকসহ স্কুলের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সার্বিক দেখভালের বিষয়গুলো নিশ্চিত করছে, কেননা শিক্ষকসহ সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীরও নিজেদের পরিবার রয়েছে দেখাশোনার জন্য।

আনন্দবাজার/এফআইবি

Print Friendly, PDF & Email

সংবাদটি শেয়ার করুন