মঙ্গলবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১লা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ইন্দোনেশিয়ার পাম অয়েল রফতানিতে ধস

করোনার প্রকোপে ধস নেমেছে ইন্দোনেশিয়ার পাম অয়েল রফতানি খাতেও। চলতি বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) দেশটি থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে পাম অয়েল রফতানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১১ শতাংশ কমেছে। ইন্দোনেশিয়ান পাম অয়েল অ্যাসোসিয়েশনের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের শীর্ষ পাম অয়েল উৎপাদনকারী ও রফতানিকারক দেশ। দেশটির পাম অয়েল অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে ইন্দোনেশিয়া থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে সব মিলিয়ে ১ কোটি ৫৫ লাখ টন অপরিশোধিত পাম অয়েল রফতানি হয়েছে। এক বছরের ব্যবধানে দেশটি থেকে পণ্যটির রফতানি কমেছে ১১ শতাংশ।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি-জুন মাসে পাম অয়েল রফতানি করে ইন্দোনেশিয়ার রফতানিকারকরা সব মিলিয়ে ১ হাজার ৬ কোটি ডলার আয় করেছেন। এক বছরের ব্যবধানে পাম অয়েল রফতানি খাত থেকে দেশটির আয় বেড়েছে ৬ দশমিক ৪ শতাংশ। খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, রফতানির পরিমাণ কমলেও আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়তি দামের জের ধরে চলতি বছরের প্রথমার্ধে ইন্দোনেশীয় পাম অয়েল রফতানিকারকদের আয় বেড়েছে।

এ বিষয়ে ইন্দোনেশিয়ান পাম অয়েল অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান জোকো সুপ্রিওনো বলেন, নভেল করোনাভাইরাসের বৈশ্বিক মহামারী ইন্দোনেশিয়া থেকে পাম অয়েল রফতানিতে ধস নামিয়েছে। তা না হলে চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে পণ্যটি রফতানি করে প্রাপ্ত আয় আরো অনেক বেশি হতো। এখন বছরের বাকি সময়ে চাহিদা বেড়ে বেচাকেনা না বাড়লে মন্দার ভেতর দিয়ে যেতে পারে ইন্দোনেশিয়ার পাম অয়েল শিল্প।

আনন্দবাজার/ডব্লিউ এস

Print Friendly, PDF & Email
আরও পড়ুনঃ  যুক্তরাষ্ট্রের শেল অয়েল উত্তোলনে ধস দেখছে আইইএ

সংবাদটি শেয়ার করুন