ঢাকা | সোমবার
২রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,
১৯শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অবশেষে পুলিশে চাকরি পাচ্ছেন সজল

অবশেষে পুলিশে চাকরি পাচ্ছেন সজল

স্থায়ী কোন জমি না থাকায় চাকরি পাওয়ার অনিশ্চয়তায় থাকা বরগুনার বেতাগী উপজেলার বাসিন্দা সজল কর্মকার অন্তর অবশেষে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) সাধারণ পদে চাকরিটি পাচ্ছেন। গতকাল মঙ্গলবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন বরগুনার পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর হোসেন মল্লিক।

সোমবার ও মঙ্গলবার বিভিন্ন গণমাধ্যমে সজলের ভূমিহীন হওয়ার বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ হলে বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোর্টার সদর দফতরের বিষয়টি নজরে আসে। এরপরই সজলের ভাড়ায় থাকা বাসস্থান পরিদর্শনে আসেন বরগুনার পুলিশ সুপার ও বেতাগীর অফিসার ইনচার্জ তারা সজল ও সংবাদকর্মীদের নিশ্চিত করেন, সজল চাকরিটি পাচ্ছেন। তবে তার কিছু পরিমান জমি ক্রয়ের কাগজপত্র জমা দিতে হবে। তাহলে তার জন্য সুবিধা হবে।

এ ব্যাপারে সজলের পরিবার বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়াটার ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন,’ নানা জটিলতার পরও চাকরি হওয়ায় তারা খুশি। তাদের পরিবারটি স্বচ্চল হবে। সজলের জীবনেও একটি গতি আসবে।

সজলের বাবা অমল কর্মকার বলেন, ছেলের চাকরি হওয়ায় আমি আজীবন প্রধানমন্ত্রীর জন্য দোয়া করবো ও বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোর্টারের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকবো। বরগুনা পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর হোসেন মল্লিক বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পুলিশ হেডকোর্টার জানিয়েছে, সজলের চাকরির বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ পুলিশে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল পদে আবেদন করে বরগুনার বেতাগী উপজেলার হোসনাবাদ ইউনিয়নের দক্ষিণ হোসনাবাদ গ্রামের বসবাসরত সজল কর্মকার অন্তর মেধা। শারীরিক যোগ্যতা যাচাইসহ সাতটি ধাপ পেরিয়ে তালিকায় চতুর্থ হন তিনি। এরপর পুলিশ ভেরিফিকেশনে স্থায়ী কোনো ভূমি না থাকায় চাকরি হওয়ার অনিশ্চয়তায় পড়েন সজল। বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর অবশেষে চাকরি নামের সোনার হরিণের দেখা পায় সজল।
এ বিষয়ে সজল কর্মকার অন্তর বলেন, স্থায়ী কোনো জমি না থাকার জটিলতা কাটিয়ে অবশেষে চাকরিটা পাচ্ছি। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, পুলিশ হেডকোর্টার ও সংবাদকর্মীদের কাছে আজীবন কৃতজ্ঞ থাকবো।

আনন্দবাজার/এম.আর

সংবাদটি শেয়ার করুন