ঢাকা | সোমবার
২রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,
১৯শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আগামী বছর থেকে শুরু হবে ‘মেইড ইন বাংলাদেশ উইক’

আগামী বছর থেকে শুরু হবে ‘মেইড ইন বাংলাদেশ উইক’

আগামী বছরের নভেম্বর মাসে রাজধানী ঢাকায় ‘মেইড ইন বাংলাদেশ উইক’ উদযাপিত হবে বলে জানিয়েছেন তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি ফারুক হাসান। শনিবার রাজধানীর গুলশানে এক হোটেলে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

বিজিএমইএর সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, সপ্তাহব্যাপী এই আয়োজনে তৃতীয় ঢাকা অ্যাপারেল সামিট, ফ্যাশন ফেস্টিভ্যাল, প্রদর্শনীসহ নানা আয়োজন থাকবে। পোশাকশিল্প ঘিরে সপ্তাহব্যাপী আন্তর্জাতিক আয়োজন বাংলাদেশে এটিই প্রথম বলে উল্লেখ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএর প্রথম সহ-সভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, এস এম মান্নান, শহীদউল্লাহ আজিম, মিরান আলী, খন্দকার রফিকুল ইসলাম, পরিচালক আব্দুল্লাহ হিল রাকিব, ডেনিম এক্সপার্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তাফিজ উদ্দিন প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) বিভিন্ন দেশে নতুন করে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ছে। এতে তৈরি পোশাক রফতানিতে নতুন শঙ্কা সৃষ্টি হচ্ছে। জার্মানিতে দৈনিক সংক্রমণ ৫২ হাজার ছাড়িয়েছে। অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস, সুইডেন, ফ্রান্সসহ প্রায় সব ইউরোপীয় দেশে সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী। নিঃসন্দেহে এটি আমাদের জন্য বড় দুশ্চিন্তার কারণ।

তিনি আরও বলেন, ‘ইউরোপে খুচরা বিক্রি এখনো স্বাভাবিক পর্যায়ে আসেনি। সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, সেখান আমাদের খুচরা বিক্রি করোনার আগের বছরের তুলনায় ১৫ শতাংশ কম। তার ওপর করোনার আঘাতে আবারও যদি ইউরোপের জনজীবন ব্যাহত হয়, তাহলে আমাদের পোশাকশিল্পের ঘুরে দাঁড়ানোর প্রচেষ্টা ব্যাহত হবে।’

করোনার সময় আমাদের অর্ডার কমেছিল, এখন প্রচুর অর্ডার আসছে জানিয়ে বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, অর্ডার বাড়লেও পণ্যের দাম এখনো তেমন বাড়েনি। আমরা পোশাকের মূল্য বাড়াতে কাজ করছি। পাশাপাশি আমাদের সদস্যদের বলছি তারা যেন তুলা, সুতাসহ অন্যান্য কাঁচামাল ও ফ্রেইট খরচ বাড়ার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সরবরাহকারীদের সঙ্গে ন্যায্যতার ভিত্তিতে পণ্যের মূল্য নির্ধারণ করেন। তারা যেন কোনোভাবেই উৎপাদনের চেয়ে কম দামে পণ্যের অর্ডার না নেন।

আনন্দবাজার/এম.আর

সংবাদটি শেয়ার করুন