রেকর্ড পরিমাণ প্রবাসী আয় এসেছে দেশে। প্রবাসী আয় ও রপ্তানি আয়ের প্রবৃদ্ধিতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও নতুন রেকর্ড গড়েছে।সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ পৌঁছেছে ৪৬ বিলিয়ন ডলারের ওপরে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, প্রবাসীরা জুন মাসে দেশে মোট ১৯৪ কোটি ডলার পাঠিয়েছেন। এর আগের অর্থবছরের একই সময়ে প্রবাসীরা পাঠিয়েছিলেন এক হাজার ৮০৩ কোটি ১০ লাখ ডলার।
করোনার মধ্যে প্রবাসীদের পাঠানো আয় অর্থনীতিকে দিয়েছে বড় স্বস্তি। যার কারণে দেশের সব ব্যাংকে আমানত বেড়েছে। আর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও রেকর্ড ছেড়েছে। প্রবাসীদের আয়ের সাহস জুগিয়েছে করোনাকালে গ্রামাঞ্চলের মানুষের।
এদিকে প্রবাসী আয় ও রপ্তানি আয়ের ওপর ভর করে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বা মজুত নতুন উচ্চতায় উঠেছে। এর আগে গত মে মাসের শুরুতে রিজার্ভ ৪৫ বিলিয়ন বা ৪ হাজার ৫০০ কোটি ডলার ছাড়িয়েছিল।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, প্রবাসীরা চলতি জুন মাসে দেশে মোট ১৯৪ কোটি ডলার পাঠিয়েছেন। আর চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরে প্রবাসী আয় এসেছে ২ হাজার ৪৭৭ কোটি ৭৭ লাখ ডলার। এর আগের ২০১৯-২০ অর্থবছরের একই সময়ে প্রবাসীরা পাঠিয়েছিলেন এক হাজার ৮০৩ কোটি ১০ লাখ ডলার।
গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে সরকার দেশে প্রবাসী আয় পাঠানোর বিপরীতে ২ শতাংশ প্রণোদনা প্রদানের ঘোষণা দেয়। এরপর থেকেই বৈধ পথে প্রবাসী আয় আসা বাড়তে শুরু করে। অন্যদিকে অবৈধ পথে প্রবাসী আয় পাঠানো কমে যায়।
করোনার মধ্যে প্রবাসী আয়ে বড় ধরনের ধাক্কা লাগার আশঙ্কা করা হলেও বাস্তবে সেটা দেখা যায়নি। আন্তর্জাতিক যোগাযোগ সীমিত হয়ে পড়ায় বৈধ পথে প্রবাসীদের টাকা পাঠানোর পরিমাণ বেড়েছে।
এদিকে বৈধ পথে প্রবাসী আয় আসাকে উৎসাহিত করতে কোনো কোনো ব্যাংক নিজেরা সরকারের ২ শতাংশ প্রণোদনার সঙ্গে বাড়তি ১ শতাংশ প্রণোদনা দিচ্ছে। সব মিলিয়ে বৈধ পথে প্রবাসী আয় আসা বেড়েছে। যার সুফল ভোগ করছে দেশ।
আনন্দবাজার/শহক



