সম্প্রতি বিকল্প তিন দেশ থেকে ২৫৮ টন পেঁয়াজের চালান এসেছে চট্টগ্রাম বন্দরে। বিকল্প দেশগুলো হচ্ছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিয়ানমার এবং পাকিস্তান। গেল দুই দিনে ৯ কনটেইনারে পেঁয়াজের এই চালান এসে পৌঁছেছে।
জানা গেছে, চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজের প্রথম চালানটি এনেছে কায়েল স্টোর। গ্রিন ট্রেড নামের একটি প্রতিষ্ঠান পাকিস্তান থেকে এনেছে ১১৬ টন পেঁয়াজ। তবে এ দুটি চালানই খালাস করা হয়েছে। এছাড়া এমআর ট্রেডিং ও মেসার্স সজীব নামের দুটি প্রতিষ্ঠানের পেঁয়াজও ইতোমধ্যে বন্দরে পৌঁছেছে।
ভারতের পেঁয়াজ রফতানি বন্ধের পর সমুদ্রপথে বিকল্প দেশ থেকে আমদানি হওয়া এসব চালানই প্রথম এসেছে। তবে গেল ২ সপ্তাহে টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে মিয়ানমার থেকে আরও ৫৭ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছিল।
তবে এখন পর্যন্ত বন্দরে আসা পেঁয়াজের আমদানি অনুমতি ভারত রফতানি বন্ধের আগেই নিয়ে রাখা হয়েছিল।
এই ব্যাপারে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব ওমর ফারুক জানান, চট্টগ্রাম বন্দরে আসার পর যত দ্রুত সম্ভব পেঁয়াজের চালান যাতে খালাস হয়ে যায় সে ব্যপারে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া আছে আমাদের। সমুদ্রপথে আসা প্রথম চালানটি খালাস হয়েছে মিয়ানমারের। মিয়ানমারে লকডাউনের কারণে স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানিতে ব্যাপক জটিলতা তৈরি হয়েছে। তাই মিয়ানমারের যে চালানটি এসেছে তা সিঙ্গাপুর হয়ে ঘুরিয়ে দেশে আনতে হয়েছে।
আনন্দবাজার/এইচ এস কে




