ঢাকা | শুক্রবার
৩০শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,
১৬ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিপৎসীমার ওপরে তিস্তা, পানিবন্দি ১০ হাজার মানুষ

নীলফামারীতে গত কয়েক দিনের ভারি বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে ধেয়ে আসা পাহাড়ীঢলে তিস্তা নদীর পানি বেড়ে বিপৎসীমার ২৭ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে অতিক্রম করেছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ২৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। পানির চাপ সামলাতে খুলে দেয়া হয়েছে ডালিয়া তিস্তা ব্যারাজের সব কটি (৪৪টি) গেট। ফলে ১৫টি গ্রামের প্রায় দশ হাজার পরিবারের বসতবাড়িতে পানি প্রবেশ করেছে।

এর আগে বুধবার সকাল থেকে ডালিয়ায় তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে নদীর পানি বাড়তে শুরু করলে সন্ধ্যা ৬টায় তা বিপৎসীমা অতিক্রম করে। রাত ৯টায় আরও বৃদ্ধি পেয়ে ২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ সূত্র জানায়, অতিবৃষ্টি ও উজানের ঢলে গত বুধবার সকাল থেকে ডালিয়ায় তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। বেলা ৩টার দিকে সেখানে বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। সন্ধ্যা ৬টায় বিপৎসীমা অতিক্রম করে ১২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয় যা রাত ৯টায় আরও ৮ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে ২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় জেলার ডিমলা উপজেলার নদীবেষ্টিত পূর্বছাতনাই, টেপাখড়িবাড়ি, খালিশাচাপানী, ঝুনা গাছচাপনী, পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়ন ও তিস্তার ভাটিতে জলঢাকার ৩টি ইউনিয়নসহ ১৫টি গ্রামের দশ হাজার পরিবারের বসতবাড়িতে পানি প্রবেশ করেছে।

ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুর রহমান বলেন, ছাতুনামা ভেন্ডাবাড়ী ও ফরেস্টের চরের ৫ শতাধিক পরিবারের বসতবাড়িতে বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। কোথাও কোথাও হাঁটু থেকে কোমর পানিতে তলিয়ে গেছে এসব পরিবারের বসতবিটা। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।

আনন্দবাজার/শহক/সুবি

সংবাদটি শেয়ার করুন