পেঁয়াজের বাজার নিয়ন্ত্রণে টিসিবির মাধ্যমে ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে আজ রবিবার থেকে শুরু হচ্ছে পেঁয়াজ বিক্রি। টিসিবির পেঁয়াজ বিপণনে প্রস্ততি রয়েছে বলে জানিয়েছে অনলাইন বিপণন ব্যবসায়ীদের সমিতি ই-ক্যাব। বাণিজ্যমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত জানার পর বুধবার রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ই-ক্যাব তাদের প্রস্তুতির কথা জানায়।
সরকার থেকে পেঁয়াজ পেলে ই-কমার্স কোম্পানিগুলো ক্যাম্পেইন শুরু করবে এবং শিগগিরই সরকার নির্ধারিত দামে অনলাইনে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করবে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (আমদানি ও অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য) এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেন, মন্ত্রণালয়ের নানামুখী উদ্যোগের ফলে দেশে পেঁয়াজের বাজার শান্ত হয়ে আসছে। এরই মধ্যে ভারত ও মিয়ানমারসহ বিভিন্ন দেশ থেকে পেঁয়াজ আসতে শুরু করেছে। মন্ত্রণালয়ের কঠোর নজরদারির ফলে রাজধানীর পাইকারি বাজারে ভারতীয় পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৫০ টাকায় মিলছে। এ ছাড়া মিয়ানমার থেকে সরকার উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পেঁয়াজ সরাসরি আমদানি করবে। এ নিয়ে এরই মধ্যে বড় কয়েকটি শিল্পগোষ্ঠীর সঙ্গেও কথা হয়েছে।
সরকার প্রথমবারের মতো ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে পেঁয়াজ বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে উল্লেখ করে সফিকুজ্জামান বলেন, টিসিবি প্রথমে প্রতিদিন ছয় থেকে সাত টন পেঁয়াজ বিক্রি করবে। এতে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম পড়বে ৩৫ টাকা। সর্বোচ্চ পাঁচ কেজি পেঁয়াজ কিনতে পারবে একজন। এতে প্রতি কেজির সরবরাহ চার্জ ধরা হয়েছে পাঁচ টাকা। বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি আজ দুপুরে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন।
বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের বাণিজ্য ও নীতি শাখার সদস্য আবু রায়হান আল বেরুনী বলেন, পেঁয়াজের বাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে ট্যারিফ কমিশনের আট সুপারিশের সুফল মিলেছে। প্রথম দিনেই কেজিতে দাম কমেছে ৫ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত। গতকাল আমদানি করা পেঁয়াজ ৮০ টাকা থেকে কমে হয়েছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি।
গত ১৪ সেপ্টেম্বর ভারত কোনো ধরনের পূর্বাভাস ছাড়াই পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয়। এর ফলে সীমান্তে আটকা পড়ে পেঁয়াজ বোঝাই আটশোর বেশি ট্রাক। এর প্রভাবে দেশের বাজারে ১৬ সেপ্টেম্বরই আমদানি করা পেঁয়াজ ৯০ টাকা এবং দেশি পেঁয়াজের কেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকায় উঠে যায়।
আনন্দবাজার/ডব্লিউ এস




