মূল্য সংযোজনের উদ্দেশ্যে ১৯৯০ সাল থেকে প্রাথমিকভাবে প্রক্রিয়া করা পশম ছাড়ানো (ওয়েট ব্লু) চামড়া রপ্তানি বন্ধ রয়েছে। তারপরই ব্যবসায়ীরা আধুনিক যন্ত্রপাতি এনে চামড়া প্রক্রিয়াকরণের দ্বিতীয় ধাপ ‘ক্রাস্ট’ এবং তৃতীয় ধাপ ‘ফিনিশড লেদার’ উৎপাদন শুরু করেন। কিন্তু ওয়েট ব্লু বন্ধ থাকার পর থেকে চামড়া ব্যবসার পরিণতি খারাপ হতে শুরু করে, এমনটাই অভিযোগ পোস্তার আড়তদারদের।
তাদের মতে, কাঁচা চামড়া রপ্তানি না করে পুনরায় ওয়েট ব্লু চালু হলে আবারও চামড়া রপ্তানির বৃদ্ধি বাড়বে। দেশে আসবে চীন, হংকং, দক্ষিণ কোরিয়া, ইতালি, জাপান এবং স্পেনের মতো উন্নত রাষ্ট্রের ক্রেতারা। আমাদের দেশ থেকে চামড়া কিনে ভারত ওয়েট ব্লু রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করছে কিন্তু আমরা পারছি না। এটা করতে পারলে আমাদের দেশে এসে চামড়া কিনবে উন্নত রাষ্ট্রগুলো।
চামড়া আড়তদাররা জানান, আমাদের দেশের ৮০ ভাগ চামড়া ভারতে চলে যাচ্ছে এবং সেই চামড়া বিশ্বে রপ্তানি করছে তারা। আমাদের দেশ থেকে চামড়া নিয়ে যদি ভারত বহিঃবিশ্বে রপ্তানি করতে পারলে আমরা কেনো পারবো না। এজন্য সরকারের কাছে তারা আহ্বান জানান, ওয়েট ব্লু চামড়া ৪০ ভাগ, ক্রাস্ট চামড়া ৪০ ভাগ এবং ২০ ভাগ ফিনিশড চালু করতে।
তাদের মতে এটা করতে পারলে আবারও ফিরে আসবে চামড়ার সুদিন। তখন চামড়া নিয়ে আর কোনো সিন্ডিকেট কাজ করতে পারবে না। এমনকি ট্যানারি মালিকদের কাছেও অর্থের জন্য যেতে হবে না। বিশ্বের বড় বড় দেশ থেকে বায়াররা এ দেশে এসে চামড়া কিনবে বলে জানান তারা।
তিনি আরও বলেন, ওয়েট ব্লু রপ্তানির অনুমতি পেলে চামড়া খাতের সব সমস্যা দূর হবে। এতে খামারি, আড়তদার, ট্যানারি লাভবান হবে, বাড়বে রপ্তানি আয়।
আনন্দবাজার/এইচ এস কে




