ঢাকা | শনিবার
৩১শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,
১৭ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দুই দফা আগাম বন্যার সতর্কবাণী

বাংলাদেশের উপর দিয়ে একের পর এক দুর্যোগ হানা দিচ্ছে। করোনা এবং আম্পানের পর আবারও আগাম বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এরইমধ্যে পশ্চিমা ঝঞ্ঝার সাথে অকাল মৌসুমি বায়ু বিস্তার লাভ করছে সারাদেশে। তাই বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই বৃষ্টিপাতের মাত্রা অনেকটাই বেড়েছে। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছে, মৌসুমি বায়ুর অগ্রিম সক্রিয়তায় পুরো জুন মাসেই সারাদেশে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

এই মৌসুমি অতিবৃষ্টিপাতের কারণে দেশের উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল, দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে চলমান মাসের শেষ পর্যন্ত বন্যা দেখা দিতে পারে। এছাড়া চলতি মাসে বঙ্গোপসাগরে অন্তত এক-দুটি মৌসুমি নিম্নচাপ তৈরি হতে পারে। এরইমধ্যে একটি সুস্পষ্ট লঘুচাপরে ঘূর্ণাবর্ত নিম্নচাপ রূপ পরিগ্রহ করছে। গভীর সঞ্চারশীল মেঘমালা তৈরি হচ্ছে আকাশে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুজ্জামান ভূঁইয়া জানান, বৃষ্টিপাতের কারণে চলতি জুনের শেষ নাগাদ এক দফা এবং আগস্ট-সেপ্টেম্বরের মধ্যে আরেক দফা বন্যা হতে পারে। আর এবার বৃষ্টি বেশি হলে স্বাভাবিকভাবে বন্যার বিস্তৃতিও বেশি হতে পারে। তবে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে এই বন্যার সম্ভাবনা বেশি।

 জানা গেছে, মে মাসের শেষে এবং জুনের শুরুতেই যমুনায় যে পরিমাণ পানি বেড়েছে, তা ১৯৮৮ সালের পর আর দেখা যায়নি। এতে বন্যার অগ্রিম হুমকি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

পশ্চিম এবং মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তত্সংলগ্ন উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত লঘুচাপের কারণে সমুদ্রবন্দরগুলোতে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত জারি করা হয়েছে। লঘুচাপটি গতকাল শনিবার ভারতের ওড়িশার স্থলভাগে প্রবেশ করেছে। যার প্রভাবে দেশের প্রায় সব জেলাতেই হালকা থেকে ভারী বৃষ্টি হবে। দেশের চারটি সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আনন্দবাজার/এইচ এস কে

সংবাদটি শেয়ার করুন