অনেকটা শখের বশে আঙ্গুরের চারা ক্রয় করে নিজের আঙ্গিনায় লাগিয়েছিলেন খাসিয়া যুবক কেমন পডুয়েং। তার লাগানো আঙ্গুর গাছে ৩বছর পর ফল ধরেছে। তার ভাবনা চেষ্টা করলে তার গ্রামে(পুঞ্জি) এ ফলের চাষ সম্ভব। এখন শুধু প্রয়োজন কৃষি বিভাগের যথাযথ পরামর্শ ও সহায়তা।
তিনি বলেন, দেশে এখন করোনার মহামারি চলছে, হাজার হাজার যুবক গৃহবন্দি জীবন কাটাচ্ছেন। এসময়টা পতিত জমি ও পাহাড়ি এলাকায় সাথী ফসল হিসেবে দেশীয় নানা ফল ও শাক সবজি চাষ করা যেতে পারে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মতো জেলা উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি দপ্তর থেকে প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দিলে পাহাড়ে আমরা কৃষি বিপ্লব ঘটিয়ে দেশকে সমৃদ্ধ করতে পারি। সাথে সাথে নিজেরাও সাবলম্বি হয়ে ওঠতে পারি।
তিনি আরও বলেন, শমশেরনগর নার্সারি থেকে সংগ্রহ করে, আঙুর চাষ করার ২ বছর পর গাছে ফল আসলেও তা ছিল বেশ টক। এ ফলের চাষ সম্পর্কে ধারণা না থাকায় আঙ্গুরগুলো টক হচ্ছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর পরামর্শ পেলে ফলন ভাল হবে, আর বিক্রি করা সম্ভব। প্রশিক্ষণ পেলে তার দেখাদেখি আরো অনেকেই এ চাষে আগ্রহী হবেন। বর্তমানে খাসিয়া পুঞ্জির মানুষগুলো পান চাষের পাশাপাশি, সুপারি, লেবু, কাঁঠাল, আনসার, কলা, নাগা মরিছ, সাতকরা ও মালটা চাষ নতুন করে শুরু করেছে।
খাসিয়া যুবকরা বলেন, শ্রীমঙ্গলের উপজেলা নির্বাহী অফিসার নজরুল ইসলাম ও উপজেলা কৃষি অফিসারের সহযোগিতায় পুঞ্জিতে বিভিন্ন চাষ শুরু হয়েছে। প্রশাসনের আরও সহায়তা পেলে পাহাড়ের জমিতে ফসলের বিপ্লব ঘটানো সম্ভব।
আনন্দবাজার/শাহী

