চলতি মে মাসের জন্য চাল রফতানিতে কোটা বেঁধে দিচ্ছে মিয়ানমার। এসময় আন্তর্জাতিক বাজারে দেশটি থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টন চাল রফতানি করা যাবে। মিয়ানমার রাইস ফেডারেশনের (এমআরএফ) পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া নভেল করোনাভাইরাস কারণে দেশের অভ্যন্তরীণ খাদ্য শৃঙ্খল রক্ষা ও জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মায়ানমার এ উদ্যোগ নিচ্ছে বলে জানা যায়।
জানা যায়, সম্প্রতি মিয়ানমারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এমআরএফ প্রতিনিধিদের একটি বৈঠক এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এসময় মে মাসে ১ লাখ ৫০ হাজার টন চাল রফতানির কোটা নির্ধারণ করা হয়। যার মধ্যে এক লাখ টন চাল সমুদ্রপথে রফতানি করা যাবে। এবং বাকি ৫০ হাজার টন চাল রফতানি করা হবে স্থল সীমান্ত পথে। তবে এ বিষয়ে সরকারি ঘোষণা আসেনি এখনও।
এমআরএফের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ড. সো তুন বলেন, বর্তমানে মিয়ানমারের ১১২টি কোম্পানি সমুদ্রপথে চাল রফতানির সঙ্গে যুক্ত। ছোট-বড় মিলিয়ে আরো প্রায় ২০০ কোম্পানি স্থল সীমান্ত পথে খাদ্যপণ্যটি রফতানি করে। তিন শতাধিকের বেশি চাল রফতানিকারক কোম্পানিকে চলতি মাসে সরকারি কোটা মেনে খাদ্যপণ্যটি রফতানি করতে হবে। কেননা মহামারী পরিস্থিতিতে সবার আগে অভ্যন্তরীণ খাদ্য শৃঙ্খল রক্ষা ও জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি অগ্রাধিকার দিতে হবে।
আনন্দবাজার/ টি এস পি

