রাইজিং গ্রুপ বাংলাদেশ থেকে ইউরোপ-আমেরিকার বাজারে পোশাক পণ্য রফতানি করে। দেশে সাধারণ ছুটি শুরুর আগেই প্রতিষ্ঠানটি ইউরোপ-আমেরিকার বাজারে পণ্যের একাধিক চালান পাঠিয়েছে। তবে এখন লকডাউন এর জন্য ওই সব দেশের বাজার এখন পুরোপুরি নিষ্ক্রিয়। তাই রাইজিং গ্রুপের পোশাক পণ্যের রফতানি চালান বন্দরেই পড়ে আছে।
শুধু রাইজিং গ্রুপ সহ দেশের রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর রফতানি চালান কম-বেশি অব্যাহত ছিল, ২৬ মার্চ সাধারণ ছুটি ঘোষণার আগ পর্যন্ত। তবে লকডাউনের জন্য সেসব পণ্যের চালান স্তূপ আকারে জমতে শুরু করেছে ইউরোপ-আমেরিকার দেশগুলোর বন্দরে। আরো বেশকিছু রফতানি করা পণ্য রয়েছে গন্তব্যে পৌঁছানোর অপেক্ষায়। ওই সব পণ্যও যুক্ত হতে যাচ্ছে এই স্তূপে।
বাংলাদেশের রফতানি পণ্যের প্রধান গন্তব্য এই দুই মহাদেশই। যার মধ্যে শুধু বাংলাদেশের রফতানীকৃত পণ্যের ৫০ শতাংশের বেশি যায় ইউরোপেই।
সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রতি মাসে ন্যূনতম ৩ বিলিয়ন ডলারের পণ্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রফতানি করে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের রফতানিকারকরা গত জানুয়ারি থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে কম-বেশি রফতানি অব্যাহত রেখেছিলেন। এখন ইউরোপ-আমেরিকার বন্দরে স্তূপ হতে শুরু করেছে এসব পন্য। আরও অনেক পণ্য রয়েছে মাঝ পথে। কমপক্ষে দুই বিলিয়ন ডলার স্তূপীকৃত এসব পণ্যের মূল্য।
আনন্দবাজার/এস.কে




