ইতোমধ্যে বাংলাদেশের রপ্তানিতে করোনা ভাইরাস আতঙ্কের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। চীনে কাঁকড়া ও কুঁচিয়া রপ্তানি বন্ধ হয়ে গেছে। বর্তমান মজুদ ফুরিয়ে গেলে দেশে পোশাক কারখানায় উৎপাদনও কাঁচামালের অভাবে পড়তে পারে হুমকির মুখে। তাই উদ্যোক্তারা আশঙ্কা করছেন, চলতি অর্থবছর শেষে রপ্তানি আয়ে বড় ধরনের ধস নামতে পারে।
জানুয়ারির শেষ ভাগে চার হাজার কেজি কুঁচিয়া রপ্তানির কথা ছিলো। কিন্তু ঠিক তখনই আক্রমণ করে করোনা ভাইরাস। যার ফলে বন্ধ হয়ে গেছে দেশটির বেশিরভাগ হোটেল রেস্তোরা ও শপিং মল। তাই আমদানিকারকরা অর্ডার বাতিল করে দিচ্ছেন।
কাঁকড়া রপ্তানিকারকদেরও একই অবস্থা। কিন্তু চীনা নববর্ষের ছুটিতেই সবচেয়ে বেশি চাহিদা থাকে। কিন্তু রপ্তানিকারকদের বাড়তি বিনিয়োগ এবার শুধু লোকসানই বাড়িয়েছে। বিকল্প বাজারের সুযোগ নিয়ে ক্ষতি এড়ানোরও সুযোগ নেই। কারণ বাংলাদেশের কাঁকড়া-কুঁচিয়ার ৯০ শতাংশই রপ্তানি হয় চীনে।
দেশের শীর্ষ রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক খাতেও আঘাত আসবে চীনের বিপর্যয়ের। মজুদ করা কাঁচামালের যোগান শেষ হলেই, সংকটে পড়বে পোশাক উৎপাদন।
চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে বাংলাদেশ ৩৬ কোটি ১৩ লাখ ডলার রপ্তানি করেছে চীনে। চীনের প্রানঘাতী করোনা ভাইরাস সংকট দীর্ঘমেয়াদী হলে, শুধু চীনেই নয় পুরো বিশ্ববাজারেই বাংলাদেশের পণ্যের সরবরাহ কমার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
আনন্দবাজার/এস.কে




