আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি ২০২৬) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাস প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। পূর্বাভাস অনুযায়ী, দেশের বেশিরভাগ এলাকায় আবহাওয়া শুষ্ক থাকলেও শীতের প্রভাব অব্যাহত থাকবে। কয়েকটি জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, যা আরও কয়েকদিন স্থায়ী হতে পারে।
সিনপটিক অবস্থা
উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। পাশাপাশি দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে মৌসুমি স্বাভাবিক লঘুচাপ বিরাজ করছে, যার একটি বর্ধিতাংশ উত্তর–পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।
পাঁচ দিনের পূর্বাভাস
প্রথম দিন: ১৬ জানুয়ারি
বৃষ্টিপাত: সারাদেশে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে।
শৈত্যপ্রবাহ: দিনাজপুর, পঞ্চগড় ও চুয়াডাঙ্গার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে।
কুয়াশা: শেষরাত থেকে সকালে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়তে পারে।
তাপমাত্রা: রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত, দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
ঢাকার বাতাস: উত্তর/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬–১২ কিমি।
আপেক্ষিক আর্দ্রতা: সকাল ৬টায় ৭০%
সূর্যাস্ত: সন্ধ্যা ৫টা ৩৩ মিনিট
সূর্যোদয় (১৭ জানুয়ারি): ভোর ৬টা ৪৪ মিনিট
দ্বিতীয় দিন: ১৭ জানুয়ারি
আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। নদী অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং অন্যত্র হালকা কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
তৃতীয় দিন: ১৮ জানুয়ারি
শুষ্ক আবহাওয়া অব্যাহত থাকবে। ভোরে কুয়াশার প্রবণতা থাকবে। দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
চতুর্থ দিন: ১৯ জানুয়ারি
কুয়াশার ঘনত্ব কিছু এলাকায় বাড়তে পারে। দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমার আভাস রয়েছে।
পঞ্চম দিন: ২০ জানুয়ারি
সারাদেশে আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।
বর্ধিত পূর্বাভাস
পাঁচ দিনের শেষের দিকে রাত ও দিনের তাপমাত্রা আবার কমতে পারে, ফলে শীতের অনুভূতি বাড়বে।
তাপমাত্রা পরিস্থিতি
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে তেঁতুলিয়ায় ৮.৫° সেলসিয়াস। কয়েকটি স্থানে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে নেমে আসায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ অনুভূত হচ্ছে। ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬.০° সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ১৫.৪° সেলসিয়াস।
আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক জানান, জানুয়ারির দ্বিতীয়ার্ধে কুয়াশা ও শীতের প্রকোপ আরও কিছুদিন অব্যাহত থাকতে পারে। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চল ও নদী অববাহিকার মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।




