জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র ও জনতার দাবি অনুযায়ী পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন বলে জানিয়েছেন সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ২ আগস্ট তিনি ছাত্রদের দাবি মেনে পদত্যাগ করতে চেয়েছিলেন। এছাড়া মন্ত্রিসভার বৈঠকে তিনি ছাত্রদের পক্ষে কথা বলেছেন এবং পদত্যাগের সিদ্ধান্ত তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জানিয়েছিলেন।
পলক ও সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে জুলাই অভ্যুত্থানে ইন্টারনেট বন্ধ করে গণহত্যায় উসকানিসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আনা অভিযোগ থেকে অব্যাহতি (ডিসচার্জ) চেয়ে আইনজীবীরা শুনানি সম্পন্ন করেছেন। এদিন পলকের পক্ষে শুনানি করেন লিটন আহমেদ এবং জয়ের পক্ষে ছিলেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মনজুর আলম।
মামলায় অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আদেশের জন্য ট্রাইব্যুনাল-১ আগামী ২১ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন। পলকের আইনজীবী শুনানিতে বলেন, ইন্টারনেট বন্ধ করার ক্ষমতা ছিল সরকার বা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের। আইসিটি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে পলকের এতে কোনো দায় নেই, তাই তার অব্যাহতি চাওয়া হয়েছে।
জয়কে নিয়ে মনজুর আলম বলেন, পলকের ফেসবুক পোস্টে জয়কে ট্যাগ করা হয়নি এবং জয় পোস্টে লাইক, কমেন্ট বা শেয়ার করেননি। জয় সরকারে অবৈতনিক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন এবং কোনো মন্ত্রণালয়ের অধীনে ছিলেন না। এছাড়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর মা হওয়ায় ভবিষ্যতে যে কোনো দায়িত্বে আসতে পারেন, তাই তাকে এই মামলার বাইরে রাখার আবেদন করা হয়েছে।




